‘‌সরকারটা ঠিক মতো চালাতে পারেন না, স্কুটারটাও না’, :দিলীপ ঘোষ

ওয়েবডেস্ক: গত ২৩ দিনে ১৫ বার পেট্রোপণ্যের দাম বাড়ার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের স্কুটারে চেপে নবান্নে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। বিকেলে কাজ সেরে তিনি নিজেই স্কুটার চালিয়ে অনেকটা পথ এলেন। গোটা দেশের মানুষ সাক্ষী রইলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিনব প্রতিবাদ দেখে। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রতিবাদকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, ‘সরকারটা ঠিক মতো চালাতে পারেন না আবার স্কুটারটাও না। ধরে ধরে লোকে নিয়ে যাচ্ছে’।

 

সাধারণ মানুষের পকেট যখন এভাবে দিনের পর দিন কাটা যাচ্ছে, নাভিশ্বাস তখন ঊর্ধ্বমুখী থাকারই কথা। কিন্তু, বিজেপির রাজ্য সভাপতি রীতিমতো প্রশ্ন করে জানতে চাইলেন, ‘গত ১০ বছরে কতবার দাম বেড়েছে? আলুর দাম যখন বাড়ল তখন কেন প্রতিবাদ হয় না।’। তিনি আরও জানান, যেহেতু দাম বেড়েছে সেটা ধীরে ধীরে কমেও যাবে। পেট্রোলের দাম নিশ্চয় কমাবে কেন্দ্রীয় সরকার। তিনি বলেন, এখানকার লোকজন কাটমানি খাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারের সুবিধা পাচ্ছেন না। জানতে চাইলেন তখন কেন প্রতিবাদ হচ্ছে না? পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়াটা চিন্তার বিষয়। কিন্তু এটা কেন্দ্রের উপর থাকে না বলে মন্তব্য তাঁর।

 

এদিন তিনি বিতর্কিত মন্তব্যও করেন বলে বাংলার রাজনৈতিক মহলের দাবি। কারণ, তিনি বলেছেন, ২ টাকা পেট্রোলের দাম বাড়লে সারা দেশের মানুষের অসুবিধা হচ্ছে না। শুধু বাংলায় সমস্যা হচ্ছে! তাঁর এহেন মন্তব্যের পর রাজনৈতিক পরিবেশে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তবে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির ফলে দাম বাড়ছে। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়েও যথেষ্ট চিন্তিত তিনি। তবে জ্বালানির দাম বাড়াটা সত্যিই চিন্তার বিষয় বলে মনে করেন তিনি।

 

এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, রান্নাঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন মোদি। অন্যদিকে, মমতা ব্যানার্জীর এই প্রতিবাদকে নাটক বলে ব্যাখ্যা অধীর চৌধুরীর। রাজনীতির এই কাদা ছোঁড়াছুড়িতে সাধারণ মানুষের পকেটে কবে নাগাদ স্বস্তি ফিরে আসে সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।