আগামী ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি দুদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : অমিত শাহের (Amit Shah) আগামী বঙ্গ সফরের দিন একপ্রকার চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। আগামী ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি, দুদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি (BJP) সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। দিল্লিতে ইজরায়েল দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণের জেরে ২৯ জানুয়ারি শেষ মুহূর্তে স্থগিত হয়ে যায় অমিত শাহের রাজ্য সফর। তবে তিনি যে খুব শিগগিরই বাংলায় আসছেন, রবিবার হাওড়ার ডুমুরজলার বিজেপি মেগা যোগদান সভায় ভার্চুয়াল বার্তায় জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপরই আজ বিজেপির সূত্রে শাহের সফরসূচি এমনটা জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির প্রথম ২ সপ্তাহ জুড়ে রাজ্যে ঠাসা কর্মসূচি মোদী-শাহ-নাড্ডার। ৬ ফেব্রুয়ারি বাংলায় আসছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা (J P Nadda) । মালদা থেকে উত্তরবঙ্গ রথযাত্রার সূচনা করবেন তিনি। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। হলদিয়ায় একগুচ্ছ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন তিনি। উদ্বোধন করবেন ১১০০ কোটি টাকা খরচ করে বানানো এলপিজি টার্মিনালের। এর পরদিন, ৮ তারিখ, দুদিনের সফরে রাজ্য়ে আসছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। আর তারপর ১০ ফেব্রুয়ারি রথযাত্রার উদ্বোধনে আবার আসছেন নাড্ডা। সবমিলিয়ে হাইভোল্টেজ ফেব্রুয়ারি!

প্রসঙ্গত, দিল্লিতে ইজরায়েল দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণের জেরে শেষ মুহূর্তে স্থগিত হয়ে যায় অমিত শাহের বঙ্গ সফর। তাঁর বদলে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি হিসেবে হাওড়া ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে বিজেপি যোগদান মেলায় উপস্থিত ছিলেন স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। আর ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সভায় ভার্চুয়াল বার্তা দেন অমিত শাহ (Amit Shah)। ভার্চুয়াল বার্তায় রাজ্যে দীর্ঘ ১০ বছরের তৃণমূলের শাসনকালকে বিঁধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ‘সোনার বাংলা’ গড়তে একুশের ভোটে পরিবর্তনের ডাক দেন। একইসঙ্গে জানান যে, সফর স্থগিত হয়ে গেলেও তিনি শিগগিরই আবার আসছেন।

এপ্রসঙ্গে বলে রাখি, দুদিনের সফরে রাজ্যে এসে প্রথমে ঠাকুরনগরে মতুয়াদের (Matua) সভা, তারপর ডুমুরজলায় যোগদান মেলায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল অমিত শাহের। ঠাকুরনগরে ঠাকুরবাড়ির মাঠে গত শনিবারের সেই সভা স্থগিত হয়ে গিয়েছে। তবে ফোনে শনিবারই বনগাঁ সাংসদ শান্তনু ঠাকুরকে জানিয়েছিলেন যে, বাঁধা মঞ্চ না খুলতে। খুব শিগগিরই তিনি আসছেন। আর ওই মঞ্চেই সভা করবেন তিনি।