৩ দিনের জন্য কোচবিহারে রাজনীতিবিদদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল নির্বাচন কমিশন

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক: শনিবার চতুর্থ দফার ভোটে হিংসার ঘটনা লাগাম ছাড়িয়েছে কোচবিহারে। শীতলকুচির একটি বুথের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ গিয়েছে চার ব্যক্তির। প্রথম বার ভোট দিতে গিয়ে সংঘর্ষের মাঝে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক ১৮ বছর বয়সি কিশোর। সন্ধ্যায় জেলায় রাজনৈতির দলের নেতা-নেত্রীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন।

সূত্রের খবর, আগামী ৭২ ঘণ্টা কোচবিহারে রাজনীতিবিদদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল কমিশন। এই সময়ে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা বাইরে থেকে কোচবিহারে ঢুকতে পারবেন না। নেতা-নেত্রীরা সেখানে গেলে এলাকায় উত্তেজনা বেড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে ধারণা করছে কমিশন।

পাশাপাশি পঞ্চম দফার নির্বাচনেও ভোটগ্রহণের ৭২ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। রাজ্যের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ আগামী ১৭ এপ্রিল।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভুল বোঝাবুঝির কারণে নিরাপত্তা বাহিনীকে আক্রমণ করে স্থানীয় মানুষ। শীতলকুচির জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে বাইরে সংঘর্ষ হয়। ‘ইভিএমের মতো সরকারি সম্পত্তি এবং নিজেদের জীবন বাঁচাতে’ গুলি চালাতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

কমিশন জানায়, ‘ভুল বোঝাবুঝির কারণে বিক্ষুব্ধ জনতা বুথের কাছে সিআইএসএফ সদস্যদের উপর মারাত্মক সরঞ্জাম নিয়ে হামলা চালিয়েছিল এবং তাদের কেউ কেউ বাহিনীর সদস্যদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টাও করেছিল’।

এ দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, তিনি রবিবার শীতলকুচি গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন। পাশাপাশি তৃণমূলের তরফে রাজ্যজুড়ে কালো ব্যাজ পরে প্রতিবাদ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ দিনই শিলিগুড়ি পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। তবে কমিশনের নিষেধাজ্ঞার পরে তাঁর কোচবিহার সফর বাতিল হতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।