শীতলকুচিকাণ্ডের জেরে গুলি চালাতে পারবে না কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশ কমিশনের

কলকাতা: চতুর্থ দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চারজনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনায় কিছুটা হলেও কোনঠাসা নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে দ্বিতীয়বার শীতলকুচির মতো ঘটনা রুখতে তত্‍পর তারা। শীতলকুচি থেকে শিক্ষা নিয়েই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। কমিশনের সাফ নির্দেশ নির্বাচনী বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে কোনও জমায়েত হলেও, কোনও পরিস্থিতিতে গুলি চালানো যাবে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিআরপিসি’র ১৫১ বা ১৮৮ ধারায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে হবে।

এদিন নির্বাচন কমিশন জানান, প্রয়োজনে জৈনিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসুন।

প্রসঙ্গত, নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্রের সঙ্গে এদিন বৈঠকে বসেন রাজ্যের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে চলে বৈঠক। আর ওই বৈঠকেই উঠে আসে শীতলকুচির প্রসঙ্গ।

এই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কোনও অবস্থাতেই গুলি চালাবে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেই সঙ্গে শীতলকুটির ঘটনায় যে ভিডিয়ো সামনে এসেছে তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে কমিশন।

এছাড়াও প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারির পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনার প্রসঙ্গও উঠে আসে আলোচনায়। তাঁর ধরনার মধ্যে কোনও আপত্তিকর বিষয় নেই বলেও জানায় কমিশন। তবে এক দফায় বাকি দফার ভোট করার পরিকল্পনা কমিশনের নেই বলেও জানানো হয়। কারণ এর জন্য যে পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন হবে, তার ব্যবস্থা করা কোনও ভাবেই সম্ভব নয়।

১লা বৈশাখে নতুন রেকর্ড করোনার, রাজ্যে আক্রান্ত প্রায় ৭,০০০

এদিন বৈঠকের পর বিবেক দুবে বলেন, শীতলকুচিতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তাতে বুথ দখল হতে পারত। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি ছাড়া এখানে ভোট গ্রহণ সম্ভব নয়। পাশাপাশি এবার থেকে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রগুলিতে করোনা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। ভোট দিতে গিয়ে কেউ অসুস্থ বোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি জনসভায় সকলকে মাস্ক পরে যেতে হবে।