Ad
মালদারাজনীতিরাজ্য

দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রাম পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ তৃণমূলের, উত্তেজনা

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

ইউবিজি নিউজ ব্যুরো : মালদা জেলার মানিকচক ব্লকের দক্ষিণ চন্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল কংগ্রেসের ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল পঞ্চায়েত ভবন চত্বরে। বুধবার ডেপুটেশন কর্মসূচিতে প্রধানকে না পেয়ে উপপ্রধানকে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

অবশেষে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ডেপুটেশনকে কেন্দ্র করে ভুতনি থানার বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল পঞ্চায়েত চত্বর ।বিভিন্ন রকম দুর্নীতির অভিযোগ পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে তুলে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা স্মারকলিপি উপপ্রধান রিতা সরকার ও অন্যান্য পঞ্চায়েত সদস্য ও পঞ্চায়েত কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়ার সময় নেতারা বচসায় জড়িয়ে পড়ে।

Ad

উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে দক্ষিণ চন্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৪টি আসনের মধ্যে কিষান জাতি সমর্থিত নির্দল প্রার্থীরা ৭টি আসনে জয়লাভ করে, বিজেপি ৫টি আসনে জয়লাভ করে এবং তৃণমূল কংগ্রেস ২টি আসনে জয়লাভ করে। পরে কিষান জাতিক সমর্থিত নির্দল সদস্যরা পঞ্চায়েত গঠন করে।

কিষান জাতিক সমর্থিত নির্দল সদস্য অজয় মন্ডল প্রধান এবং রিতা সরকার উপপ্রধান পদে নির্বাচিত হয়।তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ, দক্ষিণ চন্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত বর্তমানে অকেজো হয়ে পড়েছে বিভিন্ন রকম দুর্নীতিতে জড়িয়ে প্রধানসহ সদস্যরা ও পঞ্চায়েত কর্মীরা। ১০০ দিনের কাজ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, চৌকিদারি ট্যাক্স, রাস্তা বিভিন্ন রকম দুর্নীতিতে জড়িত প্রধান অজয় মণ্ডল সহ ৭ সদস্যরা।এ বিষয়ে তৃণমূল নেতা দিলীপ মন্ডল জানান, পঞ্চায়েত গঠনের পর থেকে পঞ্চায়েত প্রধান অজয় মণ্ডল পঞ্চায়েতের অন্যান্য সদস্য ও কর্মীরা কোন রকম কোন কাজ করছেনা। উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে দূরে রয়েছে দক্ষিণ চন্ডীপুর।

তৃণমূলের সদস্যদের অন্ধকারে রেখে বিভিন্ন রকম বিল পাশ করছে। ১০০ দিনের কাজ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, পরিযায়ী শ্রমিক, রাস্তাঘাট বিভিন্ন রকম দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে পঞ্চায়েতের। তাই আজ আমরা তৃনমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করলাম। ডেপুটেশনের স্মারকলিপি প্রধান অজয় মণ্ডল না থাকায় উপপ্রধান রিতা সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হল।

অবিলম্বে ৭ দিনের মধ্যে আমাদের দাবি না মানা হলে পরবর্তীতে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে দক্ষিণ চন্ডীপুর তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকর্মীরা।এইয় বিষয়ে পঞ্চায়েত উপপ্রধান রিতা সরকার বলেন, প্রধান না থাকায় আমি তৃণমূলের ডেপুটেশনের স্মারকলিপি গ্রহন করি। আগামী ৭ দিনের মধ্যে দাবিদাবা বিষয়ের আলোচনা করে সঠিক ব্যবস্থা করা হবে। ডেপুটেশন চলাকালীন কিছু নেতা উত্তেজনা করে এবং পঞ্চায়েত আধিকারিকে মারধরের চেষ্টা করা হয়।

যদিও উত্তেজনা ও মারধর করার চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করেন তৃনমূল নেতা দিলিপ মন্ডল।

আরও পড়ুন