ফের বাংলায় আন্তর্জাতিক জঙ্গি যোগ, আলকায়েদা সন্দেহে গ্রেফতার ১

UBG NEWS, ডেস্ক : ফের আন্তর্জাতিক জঙ্গি যোগে পশ্চিমবঙ্গ। এদিন এনআইএ (nia) গোয়েন্দারা মুর্শিদাবাদের রানিনগর থেকে আলকায়েদা (Al Queda) জঙ্গি সন্দেহে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছেন। ধৃতের নাম আব্দুল মোমিন বলে জানা গিয়েছে। ধৃতের কাছ থেকে আপত্তিকর নথি এবং ডিভাইস বাতিল করার দাবি করেছে এনআইএ।

এদিন এনআইএ-র গোয়েন্দারা মুর্শিদাবাদের রানিনগর থেকে আব্দুল মোমিন মানে এখ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছেন। তাঁর সঙ্গে আলকায়েদার যোগ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। ধৃতের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আপত্তিকর নথি এবং ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বরে হওয়া অভিযানে গ্রেফতার ৯১৯ সেপ্টেম্বর সকালে মুর্শিদাবাদের একাধিক জায়গায় অভিযান চালায় এনআইএ। ডোমকলের ৩, জলঙ্গির ৪ এবং রানিনগরের ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও এর্নাকুলাম থেকে আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের সবারই বাড়ি মুর্শিদাবাদে।

পশ্চিমবঙ্গ থেকে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল তারা হল, নাজমুস সাকিব, বাড়ি ডোমকল টাউন গঙ্গাদাস পাড়ায়, লিও ইয়ান আহমেদ, বাড়ি ডোমকল টাউনের পুরাতন বিডিও মোড়ে, আল মামুন কামাল, বাড়ি ডোমকল থানার রায়পুর অঞ্চলের নওদাপাড়া গ্রামে, মইনুল মণ্ডল, বাড়ি জলঙ্গি থানার চোয়াপাড়া অঞ্চলের মধুবোনা গ্রামে, আতিউর রহমান, বাড়ি জলঙ্গি থানার ঘোষপাড়া অঞ্চলের ঘোষ পাড়া গ্রামে, আবু সুফিয়ান, বাড়ি রানি নগর থানার কালিনগর ফরাজিপাড়ায়।

কেরল থেকে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হল, মোশাররফ হোসেন, বাড়ি জলঙ্গি থানার ঘোষপাড়া অঞ্চলের ঘোষপাড়া গ্রামে, ইয়াকুব বিশ্বাস, বাড়ি জলঙ্গি থানার চোয়াপাড়া অঞ্চলের মধুবোনা গ্রামে, মুর্সিদ হাসান, বাড়ি রানিনগর থানার কালিনগর গ্রামে।

পরবর্তী সময়ে গ্রেফতার আরও ২ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দুটি ভিন্ন জায়গা থেকে আরও ২ জনকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। ধৃতদের অ্যাকাউন্টে প্রচুর টাকার হদিশ ছাড়াও, কাশ্মীরের ফোন নম্বর এবং আপত্তিকর নথি বাজেয়াপ্ত করার দাবি করা হয়েছিল এনআইএ-র তরফে।

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমালোচনায় রাজ্যপালরাজ্য থেকে আলকায়েদা জঙ্গি সন্দেহে একের পর এক গ্রেফতারে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, রাজ্যে এসে এনআইএ গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে রাজ্যের পুলিশ তা জানতে পারছে না।

রাজ্যে ডিজিপি ছাড়াও সিকিউরিটি অ্যাডভাইসর এবং প্রিন্সিপাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইসর থাকার পরেও এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যপাল। তাঁর প্রশ্ন ছিল সিকিউরিটি অ্যাডভাইসর এবং প্রিন্সিপাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইসরদের কাজটা তাহলে কী।