Ad
রাজ্য

১৯৫৬ ভোটে আমার কাছে হেরেছেন, ভবানীপুরে মমতার জয় নিয়ে শুভেন্দুর খোঁচা

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

ইউবিজি নিউজ : বিপুল ব্যাবধানে পরাজিত হয়ে তৃনমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তুলেছিলেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টেবরিওয়াল। আর আজ শুভেন্দু অধিকারী বললেন, আমার কাছে ১৯৫৬ ভোটে হেরেছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের জয়ের রেকর্ড ছাপিয়ে জয়ী হয়েছেন ভবানীপুরে। বিজেপি প্রার্থীকে ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটে পরাজিত করেছেন তিনি। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের এত বড় জয়ের পরেও কেন এমন বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

Ad

পোস্টাল ব্যালট নিয়ে মোট ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন মমতা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩২০ টি ভোট। অন্যদিকে সিপিএমের শ্রীজীব বিশ্বাস পেয়েছেন ৪ হাজার ২০১টি ভোট। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, আমার কাছে ১৯৫৬ ভোটে হেরেছেন। ভবানীপুরের মানুষ সমর্থন করেনি মুখ্যমন্ত্রীকে। তাঁর দাবি ৯০ হাজার মানুষ ভোট দিতে আসেননি আর ২৬ হাজার ভোট পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। সুতরাং ১ লক্ষ্ ১৬ হাজার মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে।

এদিকে ভবানীপুরের পরিসংখ্যান বলছে, বাম প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর থেকে প্রায় ১ হাজার ভোট কম পেয়েছেন। পাশাপশি বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টেবরিওয়াল গতবারের প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষের থেকে প্রায় ১৮ হাজার ভোট কম পেয়েছেন। রুদ্র পেয়েছিলেন ৪৪ হাজার ৭৮৬ ভোট, প্রিয়াঙ্কা পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩২০ টি ভোট।

অন্যদিকে, ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরই ক্ষোভে রীতিমতো ফেটে পড়েন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। তাঁর হতাশার অন্যতম কারণ যে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা থেকেও লিড না পাওয়া, সেটাও চেপে রাখেননি তিনি। ফল ঘোষণা হওয়ার পরই সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রিয়াঙ্কা বলেন, “ভোটের দিন কী ভাবে রিগিং করতে হয় সেটা আপনাদের মাধ্যমেই দেখেছি। তাই ওঁদের রিগিং করে জেতার জন্য, ছাপ্পা ভোট মেরে জেতার জন্য শুভেচ্ছা জানাই।” কোথায় কোথায় রিগিং হয়েছে? প্রশ্ন করায় প্রিয়াঙ্কা বলেন, “সবকটা ওয়ার্ডে ছাপ্পা ভোট পড়েছে।”

আরও পড়ুন