যশোহরি অনুখা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের দোহালিয়া বটতলা এলাকায় দুয়ারে সরকার

কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির যশোরী আনুখা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের দোহালিয়া বটতলা এলাকায় দুয়ারী সরকারের শিবির।

দুয়ারের সরকারের শিবিরের উপস্থিত ছিলেন কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি পার্থ প্রতিম সরকার, কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ গৌরব চ্যাটার্জী,কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির পুত কর্মদক্ষতার মোজাম্মেল হক সহ নানান বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

সাধারণ মানুষ রাজ্য সরকারকে এই দুয়ারের সরকার প্রকল্পের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দিতে ‘সরকার দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছবে’, এ কথা মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ঘোষণা করেছিলেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে সেই কর্মসূচি শুরু হয়ে গিয়েছে। আর সেই সূচনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে ফের বিশদে জানিয়েছেন এই কর্মসূচির বিষয়ে। খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথী, শিক্ষাশ্রী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, ঐক্যশ্রী, জাতিগত শংসাপত্র, তফসিলি বন্ধু, জয় জোহার, কৃষকবন্ধু এবং ১০০ দিনের কাজ— এই সবক’টি প্রকল্পের সুবিধাই মিলবে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির ক্যাম্পগুলি থেকে। এই সব প্রকল্প বা সরকারি পরিষেবার বিষয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে, সে সবও জমা নেওয়া হবে সেখানেই।

রাজ্যের ৩৪৪টি ব্লকে মোট ২০ হাজার ক্যাম্প করা হবে বলে নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছিল। প্রত্যেকটি পঞ্চায়েতে পৌঁছে ক্যাম্প করবেন সরকারি আধিকারিক ও কর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের আবেদনের ভিত্তিতে ওই সব ক্যাম্প থেকেই তাঁদের সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে। সরকারি পরিকল্পনা এই রকমই। তাতে সাড়াও কিন্তু খারাপ মেলেনি প্রথম দিনে। রোজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ক্যাম্প চলার কথা। বিভিন্ন জেলা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টে পর্যন্ত যে খবর নবান্নে পৌঁছেছে, তার ভিত্তিতে মমতা জানান যে, প্রথম দিনেই ৩ লক্ষের বেশি আবেদন জমা পড়েছে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির ক্যাম্পগুলিতে।