প্রচারে বেড়িয়ে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার, অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে

কলকাতা,২ এপ্রিলঃ ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার প্রচারে বেড়িয়ে আজ সকালে আক্রান্ত হন। অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। তবে তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ও ঘটনার প্রতিবাদে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিজেপি কর্মীরা। পুলিশ তাদের প্রথমে অবরোধ তুলতে বললে তারা দোষীয়দের গ্রেফতারের দাবি জানায়। পুলিশ তাতে রাজি হলেও অবরোধ না উঠলে পুলিশ লাঠি চার্জ করে অবরোধ তুলে দেয়।

এদিকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা কর্মীরা দীপক হালদারের সঙ্গে থাকলেও তিনি কি ভাবে প্রচারে বেড়িয়ে তৃণমূলের মহিলা কর্মীদের দ্বারা আক্রান্ত হলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দীপক হালদার আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন।

প্রসঙ্গত দক্ষিণ ২৪ পরগনার পারুলিয়া থেকে স্টেশন মোড় পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোড শো-র দিনেই ডায়মন্ডহারবারে হামলার ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। ডায়মন্ডহারবারে প্রচার চলাকালীন বিজেপি প্রার্থীর ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ করে বিজেপি । দীপক হালদার আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি বলে দাবি করা হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। বর্তমানে দীপক হালদারকে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য। বিজেপি-র আরও দাবি তাদের ১০ কর্মী আহত হয়েছেন এই ঘটনায় ।

বিজেপি-র তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, “তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা দীপক হালদারের প্রচারের ওপর হামলা চালায় লাঠি, বাঁশ নিয়ে।” তবে তৃণমূলের তরফে বলা হচ্ছে, “দীপক হালদার সদ্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাই সাধারণ মানুষ তাঁর ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এতে তৃণমূলের কোনও ভূমিকা নেই।” তৃণমূলের আরও প্রশ্ন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেহরক্ষী থাকার পর কী ভাবে তৃণমূল মহিলা কর্মীরা দীপক হালদারকে আক্রমণ করতে পারলো?”

এদিকে এই ঘটনা ঘিরে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করে । তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এই হামলা চালানোর অভিযোগ করেছে বিজেপি। পুলিশ শেষ পর্যন্ত অবরোধ তুলে দিতে সক্ষম হয়।

তবে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল প্রার্থী পান্নালাল হালদার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, “এই ঘটনায় তাঁদের কোনও হাত নেই। তাঁরা প্রচারে ব্যস্ত। তিনি বিজেপি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের দিকে আঙুল তুলেছেন।” তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলেছেন, “তৃণমূল নিজেদের প্রচার নিয়ে ব্যস্ত। তাদেরক নাম মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। ডিহাটের ঘটনার মতো দীপক হালদারের ওপর আক্রমণের ঘটনাও সেদিকেই যাবে।”

এদিকে বিজেপির দাবি, “হরিদেবপুর অঞ্চলে প্রচারে যাওয়ার পর লাঠিসোটা, ধারাল অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। আশা কর্মী, আইসিডিএস কর্মীরা যারা তৃণমূলের মহিলা সংগঠনে আছে তাই এই হামলা চালিয়েছে।