রাজনীতিরাজ্য

বিজেপির টিকিট মিলবে টাকা দিলেই , বিতর্কিত অডিও নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ

ইডি , সিবিআইয়ের আধিকারিকদের সময়কাল বাড়িয়ে ভালো হয়েছে: সিবিআই ,ইডির আধিকারিকদের কার্যকালের মেয়াদকাল শেষ হওয়ার পরেও তাদের মেয়াদকাল বাড়ানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন ‘ অফিসারদের সময়কাল বাড়িয়ে যদি তার সেবা নেওয়া যায় দোষের কী আছে।

পশ্চিমবাংলায় কী হচ্ছে ? চিফ সেক্রেটারি রিটায়ার্ড হওয়ার পরেও আবার তাকে কাজে লাগানো হচ্ছে। সমস্ত ডিপার্টমেন্টে অভিজ্ঞ লোকেদেরই ভিড়। নতুন চাকরি পাচ্ছে না। যারা সমালোচনা করেন তারাই তো এগুলো শুরু করেছেন। কেন্দ্রে যারা কংগ্রেসের সরকার ছিল তারাও করেছেন। আমরা জানি সব জায়গায় এমনিতে স্টাফ কম আছে অভিজ্ঞ লোক কম আছে যারা অভিজ্ঞ তাদের সেবা যদি সরকার নেয় আমার মনে হয় এটা ভালোই হয়েছে ‘।

বেশ কিছুদিন ধরেই আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে দলেরই কিছু লোকের বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে টাকার বিনিময়ে প্রার্থী টিকিট মিলবে বিজেপি নেতার অডিও ক্লিপ ভাইরাল। এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কেউ তুললে হবে না। বিভিন্ন অর্থে বিভিন্ন স্বার্থে লোকে এই সব করে থাকে। এর কোনো প্রমাণ লাগে না। কিন্তু যারা জেল খেটে এসেছে, যাদের নামে কেস চলছে। সেটা তো আর প্রমান করতে হবে না। দিনের পর দিন তারা জেল খেটে তারা বড় বড় কথা বলছে।আমি বলেছিলাম ত্রিপুরাতে চোর ডাকাতরা গেছেন দেখে রাখুন। যে যে নেতারা গেছেন তারা কারা। তাদের বিরুদ্ধে আমরা কেস করিনি। টিএমসির সরকার তার লোকেরাই কেস করেছে। যত দাগী নেতাদের ত্রিপুরায় পাঠিয়েছে লাইন দিয়ে ওখানে দাঁড়িয়ে আছে তাদের একাধিক কেস দুর্নীতির কেস, হিংসার কেস সব আছে। পুরো পার্টিটা আজ দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে। ওরা লোককে কি প্রশ্ন করবে। রাস্তায় অনেক ভিডিও চলে অনেক লোক অনেক কিছু বলে। পার্টির তারমধ্যে কোনো দায় নেই’।
কোট যেমন নির্দেশ দেবে সেভাবে সহযোগিতা করা উচিত:

নন্দীগ্রাম মামলা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কোর্ট কাছাড়িতে যে কেউ যেতে পারে। কোর্ট যেমন নির্দেশ দেবে সেটা মানতে হবে। সহযোগিতা করা উচিত সবাইকে’। টিএমসিতে কেউ কাউকে জায়গা ছাড়তে চায় না:

Ad

আবার অন্যদিকে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেছেন হাওড়ায় কোনোভাবে গাদ্দারদের ঢুকতে দেবেন না। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এটা ওদের ব্যাপার। কে কাকে ঢুকতে দেবে না দেবে। ওই পার্টিটাই ওইরমক। সেখানে নিজস্ব সবার ব্যবসা চলে। কেউ কাউকে জায়গা ছাড়তে চায় না। তার জন্য দেখছেন না গুলি বন্দুক পুলিশকে মন্ত্রীকে মেরে ফেলে দিচ্ছে এটাই টিএমসির কালচার। পশ্চিমবাংলার রন্ধে রন্ধে দুর্নীতি ও হিংসা ঢুকিয়ে দিয়েছে ওরা’।

[ লেটেস্ট খবর এবং আপডেট জানার জন্য ফলো করুন ইউবিজি নিউজ ফেসবুক পেজ । ব্রেকিং নিউজ এবং ডেইলি খবরের আপডেটে পেতে যুক্ত হোন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে  ]