Ad
রাজ্যশিক্ষা

প্রায় ২০ মাস পর ১৫ নভেম্বর স্কুল-কলেজের পথে ছাত্রছাত্রীরা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : প্রায় বছর দেড়েক বাদে রাজ্যে খুলতে চলেছে স্কুল কলেজ। ১৬ নভেম্বর থেকে রাজ্যের সমস্ত স্কুল-কলেজ খোলার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee। শিলিগুড়ির প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মুখ্যসচিবকে স্কুল খোলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। করোনা পরিস্থিতিতে গত বছরের মার্চ মাস থেকে বন্ধ রাজ্যের সমস্ত স্কুল-কলেজ।

প্রায় ২০ মাস পর খুলছে স্কুল। এর পাশাপাশি কলেজ খুলতেও নির্দেশ। তবে কীভাবে পড়ুয়ারা স্কুলে আসবে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার খসড়া তৈরি করা হচ্ছে। একসঙ্গে না এনে ধাপে ধাপে পড়ুয়াদের স্কুলে আনা হবে। তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনামা শীঘ্রই জানানো হবে। একইসঙ্গে কোন কোন ক্লাসের পড়ুয়াদের জন্য স্কুল খুলছে সে সম্পর্কে এখনও কোনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। যদিও সূত্রের খবর, প্রথমে নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ পরে ধাপে ধাপে বাকি ক্লাসের পড়ুয়াদেরও স্কুলে নিয়ে আসা হবে। কলেজের ক্ষেত্রে সব ক্লাস খুললেও কোনদিন কীভাবে কোন ক্লাস হবে বা পড়ুয়াদের কীভাবে ভাগে ভাগে কলেজে আসতে হবে সে নিয়েও এখনও কোনও খসড়া চূড়ান্ত হয়নি।

Ad

এর আগে স্কুলশিক্ষা দফতরের কর্তাদের সঙ্গে জেলা স্কুল পরিদর্শকদের শনিবারের ভিডিয়ো কনফারেন্স-এ জানানো হয়েছিল, ২৭ অক্টোবরের মধ্যে স্কুল স্যানিটাইজেশনের সম্পূর্ণ করে জানাতে হবে স্কুলগুলিকে। সেই সঙ্গে স্কুলের নবম থেকে দ্বাদশের পড়ুয়াদের অভিভাবককেও জানাতে হবে স্যানিটাইজেশনের তথ্য। এছাড়াও করোনায় কোনও পড়ুয়াদের বাবা বা মায়ের কোভিডে মৃত্যু হলে সে তথ্যও জানাতে হবে পোর্টালে।

অন্যদিকে, রাজ্যে পুজোর পর ঊর্ধ্বগামী করোনা গ্রাফ। তার প্রভাব স্কুল খোলায় পড়বে কিনা সেই নিয়ে আশঙ্কায় ছিলেন বিশেষজ্ঞরা। স্কুল খোলার পর কোভিড বিধিতে জোর দেওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। তবে স্কুল খোলায় রাজ্যের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তবে করোনা কারণে অতিসাবধনতা অবলম্বনের উপরেই জোর দিচ্ছে সকলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘স্কুল খোলা হলে ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে পরতে হবে মাস্ক।’

ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রাজ্যে খুলে গিয়েছে স্কুল। সম্প্রতি দ্য ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ মেডিক্যাল রিসার্চে ICMR-এর বিশেষজ্ঞদের মতামত সম্বন্ধিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। যেখানে স্কুল খোলার বিষয়েই জোর দিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, অনলাইনে পড়াশোনা জারি রাখা হলেও স্কুল বন্ধ থাকার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বহু পড়ুয়া। স্কুল খোলার ব্যবস্থা অবিলম্বে করা উচিত। ICMR-এর বিশেষজ্ঞ সমীরণ পাণ্ডা এ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘স্কুল খোলার আগে প্রতিটি রাজ্য তথা জেলা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে জানতে হবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সেই এলাকাগুলি কতটা প্রভাবিত হয়েছিল। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে প্রাপ্তবয়স্কদের টিকাকরণের হার সম্পর্কেও জানতে হবে যাতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের কথা মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট জেলা কতটা প্রস্তুত তা বোঝা যায়। এরই উপর ভিত্তি করে ধাপে ধাপে স্কুল খোলা উচিত।’

আরও পড়ুন