Ad
রাজ্য

ভাড়া বৃদ্ধি সহ একগুচ্ছ ইস্যু নিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর রাজ্য জুড়ে বাস ধর্মঘট

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : লকডাউনের পর গণপরিবহন সচল হওয়ার পর থেকেই বেসরকারি বাস সংগঠনগুলির তরফে রাজ্য সরকারের কাছে বারংবার ভাড়া বৃদ্ধির দাবি তোলা হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকারের তরফে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় কোনোভাবেই ভাড়া বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়। কিন্তু একেই প্রত্যেকটি বাস পিছু ইএমআই, ডিজেল খরচ, তার ওপর কর্মী ভাড়া, ফলে যত সিট তত যাত্রী নিয়ে আদতে বাস মালিকদের কোনো লাভ হচ্ছে না। এর জেরে ভাড়া বৃদ্ধি, ট্যাক্স মকুব এবং ব্যাঙ্কে ইএমআই, মোরাটোরিয়াম সহ একাধিক দাবি নিয়ে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর ১২ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিলেন বেসরকারি বাস মালিকরা। তার মধ্যেই রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বাস রাস্তায় নামাতে রাজি হয় মালিকরা। তবে এবার একগুচ্ছ ইস্যু নিয়ে ফের ধর্মঘটের ডাক দিল বেসরকারি বাস মালিকরা।

ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে জট এখনও কাটেনি। তার মধ্যেই রয়েছে ট্যাক্স মুকুব ও ব্যাংকে ইএমআই এবং মোরাটেরিয়াম। ইত্যাদি সমস্ত ইস্যু নিয়েই ১২ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিল বেসরাকারি বাস মালিকরা। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থাকবে বাস ধর্মঘট। তাদের দাবি না মানলে আগামী দিনে আরও বর আন্দোলনেরও ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁরা। বাস মালিকদের বৃহত্তম সংগঠন জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের তরফ থেকে এই দিনের ঘোষণা করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, ২২ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যে ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার ধর্মঘট পালন করা হবে। ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে রিলে অনশন নিয়ে পথে নামবেন বাস মালিকরা। এমনকি রাজ্যের সব জেলায় জেলাশাসকদের কার্যালয়ের সামনেও এই দিনেই চলবে অনশন।

Ad

এমনকি আগামী দিনে এই দাবি না মানলে টানা চলবে অনশন। এমনটাই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে ওই সংগঠনের তরফ থেকে। তাঁদের সমস্ত দাবি নিয়ে যদি রাজ্য চিন্তা ভাবনা না করে তবে আমরণ অনশন চালাতেও তাঁদের অসুবিধা নেই বলেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

বিগত কিছু মাস ধরে বাস চলাচল পুরোপুরি বন্ধ ছিল তার মধ্যে ডিজেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি। এই নিয়েই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে দাবি বাস মালিকদের। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে পাওয়া যাচ্ছে না ভাড়া বাড়ানোর অনুমতি। তাতেই আরও ক্ষোভের সৃষ্টি মালিকপক্ষের মধ্যে। ওই সংগঠনের সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, করোনার জেরে বাসে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে, অন্যদিকে পেট্রোলের টাকা গুণতে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। ফলে ভাড়া না বৃদ্ধি করলে লোকসানেই চলতে হবে তাঁদের। এই রকম অবস্থায় বাস চালানোই অসম্ভব হয়ে উঠছে বলেও জানান তিনি। তাই এবার এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেই অনশনের ডাক দিয়েছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন