ভ্যাকসিন সংকট রুখতে রাজ্যে আসছে ৮ লক্ষ কোভ্যাকসিন

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে ভ্যাকসিনেশনের প্রক্রিয়া চলছে। আজ রাজ্যে আসতে চলেছে প্রায় ৮ লক্ষ ভ্যাকসিনের ডোজ। তারমধ্যে রাজ্যে এসে পৌঁছেছে বেশ কিছু ভ্যাকসিনের ডোজ। আজই দিনের শুরুতে এসে পৌঁছয় আড়াই লক্ষ ভ্যাকসিনের ডোজ। আরও বেশ কিছু ডোজ আসার কথা রয়েছে। রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে ডোজগুলি আনানো হয়েছে।

আজ বুধবার রাজ্যে একই দিনেই আসছে ৭ লক্ষ ৮৭ হাজার ৩৪০ ডোজ ভ্যাকসিনের ডোজ। বুধবার ভোরেই কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে ২ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭৯০ কোভ্যাকসিনের ডোজ। রাজ্য সরকারই এই সমস্ত ভ্যাকসিন কিনেছে। কোভ্যাকসিনের কিছু ডোজ পৌঁছনোর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কেন্দ্রের তরফে পাঠানো হবে আরও কিছু ডোজ। রাজ্যে আসবে ৫ লক্ষ ২০ হাজার ৫৫ কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের ডোজ। বুধবার বিকেলেই ভ্যাকসিনের ডোজগুলি পৌঁছনোর কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমেছে। ৪২ দিনে পর সংক্রমণ নেমে ১০ হাজারের নীচে হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৪২৪ জন। সংক্রমণের হারও কমলেও চিন্তার রয়েছে মৃত্যুর হার নিয়ে। রাজ্যে যে হারে সংক্রমণ কমছে, সেই হারে কমছে না মৃত্যুর হার। সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার বরং মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। মঙ্গলবার মৃত্যু হয়েছে ১৩৭ জন করোনা রোগীর।

রাজ্যের দুই অন্যতম সংক্রমিত জেলা উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় করোনা সংক্রমণ বেশ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ১ হাজার ৩২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, যেভাবে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজারের কমে এসে দাঁড়িয়েছে তা সত্যিই খানিকটা স্বস্তি এনেছে। এর থেকেই স্পষ্ট হয়েছে লকডাউনের সুফল।

তবে সংক্রমণের হারের ‘ডাউনফল’ শুরু হয়েছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট করে জানাতে পারছেন না স্বাস্থ্য অধিকর্তারা। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা কমে এসেছে, তাতে মনে করা হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট মাপকাঠিতে হয়তো এই দুই জেলা পৌঁছে গিয়েছে।

তবে এমন অনেক জেলা রয়েছে, যেখানে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ওঠানামা করছে। যেমন হুগলিতেই গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬০০। ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরেও গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও হঠাৎই তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। এমনটা হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখছেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্তা ব্যক্তিরা।