শীঘ্রই পূরণ করা হবে নির্বাচনে দেওয়া ১০টি প্রতিশ্রুতি, ‘কৃষক বন্ধু’ স্মরণ করিয়ে ঘোষণা মমতার

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : নির্বাচনে দেওয়া ১০টি প্রতিশ্রুতি দ্রুত পূরণ হবে, ‘কৃষক বন্ধু’ স্মরণ করিয়ে ট্যুইট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর ১০ বছরের শাসনকালে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা সহ সামগ্রিক উন্নয়নের বিষয়ে তেমনভাবে প্রশ্ন না উঠলেও চাকরি এবং কর্মসংস্থান ইস্যুতে বারবার বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছেন মমতা। রাজ্যে এই নির্বাচন আবহেও আদালতে চলছে একাধিক চাকরি সংক্রান্ত মামলা।

বাম সরকারের আমলে বছর বছর যে স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং টেট পরীক্ষা হল তা মমতা সরকারের ১০ বছরে অনিয়মিত হয়ে গিয়েছে। তাঁর ওপর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ তো আছেই। নিয়োগের দুর্নীতি এবং চাকরি না হওয়া, স্কুল সার্ভিসের পরীক্ষা না হওয়া কে নির্বাচনে ইস্যু করেছে বিরোধীরা।

তাই এবার নির্বাচনের আগে জনসভা থেকে সেই অভিযোগের জবাব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি দিয়েছিলেন প্রতিশ্রুতিও। বলেছিলেন, ‘আরও কাজ করে দেব। আরও উন্নয়ন করে দেব। আরও কর্মতীর্থ করে দেব। ডবল ডবল চাকরি হবে। ডবল ডবল শিক্ষা হবে। ডবল ডবল কাজ হবে। স্মল স্কেল ইন্ডাস্ট্রিতে দেড় কোটি ছেলে-মেয়ে কাজ পাবে। বাইরে যাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।’

পাশাপাশি ইস্তেহারে দিয়েছিলেন ১০টি প্রতিশ্রুতি। এসসি/এটি (SC/TS) ও সাধারণ সম্প্রদায়ের (General cast) মহিলাদের মাসে ৫০০ ও ১০০০ টাকা করে হাত খরচের প্রতিশ্রুতি। স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে বলেছিলেন, বছরে চারবার দুয়ারে সরকার হবে। সেখানে নাম লেখালেই স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড পাওয়া যাবে। জুন মাস থেকে আগামী পাঁচ বছর রাজ্যের মানুষদের দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যারা স্বামীহারা হবেন, তাঁদের দেওয়া হবে বিধবা ভাতা। যোগ্য পড়ুয়াদের জন্য ১০ লাখ টাকার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড আনা হবে। চার শতাংশ সুদ দিতে হবে। এতে জামিনদার লাগবে না বলে জানিয়েছেন মমতা। ইত্যাদি মোট ১০টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী।

নির্বাচনে দেওয়া ১০টি প্রতিশ্রুতি দ্রুত পূরণ হবে, ‘কৃষক বন্ধু’ স্মরণ করিয়ে ঘোষণা করলেন মমতা। সেই ১০ প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল এক একর জমি যে কৃষকদের আছে তাদের ১০ হাজার টাকা করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি। ইতিমধ্যেই সেই প্রকল্প চালু করেছেন। এবার থেকে বার্ষিক ৫ হাজার টাকার পরিবর্তে কৃষকরা পাবেন বার্ষিক ১০ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় ১৮-৬০ বছর বয়সি কৃষকের মৃত্যুতে রাজ্যের তরফে মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।