মুসলিম এলাকায় ভোটগণনায় এগিয়ে তৃণমূল,গণনা শেষে এগিয়ে থাকবে বিজেপিই : বিস্ফোরক দিলীপ

ওয়েব ডেস্ক : ২০২১ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনের আগে রাজ্যের তিন বিধানসভা নির্বাচনে কার্যত প্রেস্টিজিয়াস ফাইট ছিল তৃণমূলের কাছে। কারণ গত লোকসভা নির্বাচনে যেভাবে উত্তরে তৃণমূলকে ধাক্কা দিয়ে একের পর এক লোকসভা আসন ছিনিয়ে নেয় বিজেপি, তাতে বেশ কিছুটা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে। এমনকি বহুবার খোদ তৃণমূল নেত্রীর কথাতেও উঠে আসে বাংলায় বিজেপির উত্থানের উদ্বেগ। আর তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে কোনও রিস্ক নিতে চায় না তৃণমূল।

ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের শরণাপন্ন হতে হয় তৃণমূলকে। যার ফল তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে পাচ্ছে তৃণমূল। এখনও পর্যন্ত কালিয়াগঞ্জে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল, আরও দুটি কেন্দ্রে এগিয়ে তৃণমূল। যদিও চূড়ান্ত গণনার আগে হার মানতে রাজি নন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর পালটা বিস্ফোরক মন্তব্য, ‘এখনও পর্যন্ত মুসলিম এলাকায় ভোটগণনা হয়েছে। গণনা শেষে এগিয়ে থাকবে বিজেপিই।”

গত লোকসভা নির্বাচনে দুটি আসন থেকে এক ধাক্কায় ১৮তে নিজেদের আসন সংখ্যা নিয়ে যায় বঙ্গ-বিজেপি। বাংলার একাধিক বিধানসভা আসনে এগিয়ে থাকে বিজেপি। তৃণমূলের তাবড় তাবড় নেতা-মন্ত্রীরা গেরুয়া ঝড়ে পিছিয়ে পড়ে। আর যা দেখে রীতিমত আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন বিজেপি নেতারা। শুধু তাই নয়, যেভাবে একের পর এক মনিরুল ইসলামের মতো লোককে ছিনিয়ে নিয়ে বিজেপির সংসারে ঠাই দিচ্ছিলেন, তাতে দলের মধ্যেই গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয়। যার প্রভাব উপনির্বাচনের ফলাফল, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

যদিও এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দিলীপ ঘোষ জানাচ্ছেন, মুসলিম এলাকায় ভোটগণনা হয়েছে। আমার বেলায় ওই সব এলাকায় তৃণমূল সাড়ে নশো ভোটে এগিয়ে ছিল, আমি ৯টা ভোট পেয়েছিলাম। মুসলিমরা আমাদের ভোট দেয় না। এরপর বিজেপি এগিয়ে যাবে। খড়্গপুরে বিজেপিই জিতবে। মুসলিম এলাকাগুলি পার হলে উল্টে যাবে ফল। চূড়ান্ত গণনায় এগিয়ে থাকবে বিজেপি। ওদের কিছু কিছু পকেট আছে।”