Ad
উত্তর দিনাজপুর

চলছে এশিয়ার বৃহত্তম পক্ষীনিবাসে পাখি গণনার কাজ, কুলিকে পাখির সংখ্যা ২০১৮এর রেকর্ডকেও ছাপিয়ে যাবে বলে আশা বন দপ্তরের

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

উত্তর দিনাজপুর, ১৪ সেপ্টেম্বরঃ এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম রায়গঞ্জ কুলিক পক্ষীনিবাসে শুরু হলো ২০২০ সালের পাখি গণনার কাজ। বনদপ্তরের উদ্যোগে উত্তরদিনাজপুর পিপল ফর এনিমেলস, রায়গঞ্জ পিপল ফর এনিম্যালস ও হেমতাবাদ জনকল্যাণ সমিতির সদস্যরা এই পাখি গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন।

এই কর্মসূচীতে উপস্থিত আছেন রেঞ্জার প্রতিমা লামা, ডেপুটি রেঞ্জার বরুন সাহা, উঃ দিনাজপুর পিপল ফর এনিম্যালস এর সম্পাদক গৌতম তান্তিয়া সহ অন্যান্যরা।

Ad

সোমবার বৃষ্টিমুখর আবহাওয়া থাকলেও নিয়ম মেনেই চলেছে পাখি গণনার কাজ। আগামী দুদিন ধরে এই গণনার কাজ চলবে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে গণনা কর্মীরা প্রথমে প্রতিটি গাছের নাম্বারিং করবেন। দ্বিতীয় ধাপে প্রতিটি গাছে কটা করে পাখির বাসা আছে, সেটা গোনা হচ্ছে।

সাধারণত একটি বাসায় শাবক সহ চারটি পাখি থাকে। সবশেষে সমস্ত গাছ ও পাখির বাসার সংখ্যা গড় করে মোট পাখির সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে । বনদপ্তরের ধারণা এবছর পাখির সংখ্যা বিগত বছরগুলির তুলনায় অনেকটাই বাড়বে।

প্রতিবছর জুন মাসের দিকে পরিযায়ী পাখির আগমন শুরু হলেও, এই বছর মে মাস থেকেই পরিযায়ী পাখিরা কুলিকে আসতে শুরু করেছিল । বর্ষাকালও এবছর আগেই শুরু হয়েছে ।

 ২০১৮ সালে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা রেকর্ড বৃদ্ধি ( ৯৮,৫৬২) পেয়েছিল বলে কুলিক পক্ষীনিবাস এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সর্ব বৃহত্তম পক্ষীনিবাস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। যদিও তার পরের বছর ২০১৯ সালে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা কিছুটা কমে যায়। তবে গণনা কর্মীদের আশা, এবছর পাখির সংখ্যা ২০১৮ সালের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে যাবে।

জেলা মুখ্য বনাধিকারিক সোমনাথ সরকার জানিয়েছেন, “নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে পাখি গণনার কাজ শুরু হয়েছে । বনকর্মীরা ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলিও এতে যোগ দিয়েছে। আমাদের আশা এবছর পাখির সংখ্যা বাড়বে।”

আরও পড়ুন