২০২১-এর মাঝামাঝি 5G নিয়ে আসছে জিও! ঘোষণা মুকেশ অম্বানির

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : ‘আত্মমানির্ভর ভারত’ বা স্বনির্ভর ভারত । এক বড় বিকাশের মধ্যে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের (আরআইএল) চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি বুধবার ঘোষণা করেছেন যে রিলায়েন্স জিও স্ক্র্যাচ থেকে সম্পূর্ণ 5 জি সমাধান তৈরি করেছে। আরআইএলের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) বক্তব্য রাখতে গিয়ে আম্বানি বলেছিলেন যে একবার বর্ণালী পাওয়া গেলে “মেড ইন-ইন্ডিয়া” প্রযুক্তি এক বছরের মধ্যে স্থাপন করা এবং চালু করা যেতে পারে। তিনি আরও যোগ করেছেন যে জিও সহজেই এটির 4 জি নেটওয়ার্ক 5 জি-তে উন্নীত করতে পারে, কারণ এটি অল-আইপি নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার। “ভারতে এটি প্রমাণিত হওয়ার পরে, জিয়ো প্ল্যাটফর্মগুলি সম্পূর্ণ পরিচালিত পরিষেবা হিসাবে বিশ্বব্যাপী অন্যান্য টেলিকম অপারেটরদের 5 জি সমাধানের রফতানিকারী হিসাবে ভাল অবস্থানে থাকবে,” তিনি বলেছিলেন। টেলিকমে ভারতীয় নির্মাতারা এবং প্রযুক্তি সংস্থাগুলি উন্নীত করার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করার কারণে এই ঘোষণার তাত্পর্য রয়েছে।

এদিন ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসে উপস্থিত হয়ে অম্বানি জানান, ২০২১-এর দ্বিতীয়ার্ধে এই পরিষেবা চালু করা হবে। দেশেই এই ৫জি নেটওয়ার্ক তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
কয়েক দিন আগেই ভারতী-এয়ারটেল এর কর্ণধার সুনীল মিত্তল দাবি করেছিলেন, ভারতে ৫জি পরিষেবা আসতে আরও দু’-তিন বছর সময় লাগবে। কিন্তু কার্যত সেই ধারণাকে নস্যাত্‍ করে মঙ্গলবার ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসে ঘোষণা করলেন আগামী বছরের মাঝামাঝিই দেশে ফাইভ-জি পরিষেবার সূচনা হবে।

মুকেশ অম্বানি এদিন বলেন, ”বিশ্বের মধ্যে এখন সবচেয়ে ভাল ডিজিটাল পরিষেবা ভারতে। সেই বিপ্লব অব্যাহত রাখতে ফাইভ-জি পরিষেবার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। শুধু তাই নয়, সেই পরিষেবা সর্বত্র এবং সস্তায় দিতে হবে। আমি আশ্বস্ত করছি, ২০২১-এর মাঝামাঝি এই ফাইভ-জি বিপ্লবেও ভারতে নেতৃত্ব দেবে। তার জন্য প্রযুক্তি, হার্ডওয়ার-সব কিছুই ভারতে তৈরি হবে।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর আহ্বানেও এই ফাইভ-জি পরিষেবা সহায়ক হবে বলে মনে করেন মুকেশ। তিনি বলেন, ”আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, জিও-র ফাইভ-জি পরিষেবা ভারতে শুধু চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আনবে তাই নয়, তাতে নেতৃত্বও দেবে।”

ঘটনাচক্রে মঙ্গলবারই ফিনল্যান্ডের টেলিকম সংস্থা নোকিয়া ঘোষণা করেছে, ফাইভ-জি নেটওয়ার্কের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী খুব শীঘ্রই তৈরি করে ফেলবে তারা। এই প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে।