দূর্দান্ত জয়ে প্লে অফের সুযোগ কেকেআরের! চারে উঠে এল KKR

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : এই ম্যাচের আগে দুটো দলই ১২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছিল। তাই প্লে অফের জন্য টক্করটাও জমজমাট হয়ে উঠেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স আর রাজস্থান রয়্যালসের মধ্যে। টসে জিতেছিলেন ক্যাপ্টেন স্মিথ। তবে শেষ হাসিটা হাসলেন ক্যাপ্টেন মর্গ্যান৷ নাইট বাহিনীর পেস অ্যাটাকের সামনে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল রাজস্থান রয়্যালসের ব্যাটিং লাইন।

রবিবারের ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে টসে জিতে মর্গ্যানদের ব্যাট করতে পাঠান রাজস্থান রয়্যালসের ক্যাপ্টেন স্টিভ স্মিথ। ম্যাচের শুরুতে টসে হারাটাই বড় বিপর্যয় বলে মনে হচ্ছিল। কারণ, ইনিংশের দ্বিতীয় বলেই শূন্য রানে আর্চারের বলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নীতিশ রানা। এর পর অবশ্য শুভমন গিল আর রাহুল ত্রিপাঠি প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নাইটদের স্কোর বোর্ড চালু রাখেন এবং ৪৯ বলে ৭২ রানের পার্টনারশিপ গড়েন দু’জনে। শুভমন-রাহুলের ব্যাটে ভর করে পাওয়ার প্লে-তে ৫৫ রান তোলে কেকেআর।

কিন্তু দলীয় ৭৩ রানের মাথায় শুভমন গিল ব্যক্তিগত ৩৬ রানে আউট হতেই ফের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় নাইট বাহিনী। শূন্য রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সুনীল নারিন। শুভমন এবং নারিন— দুজনেই রাহুল তেওটিয়ার স্পিনের শিকার। এর পর প্রথম বলেই আউট হয়ে ফিরে যান প্রাক্তন কেকেআর অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক৷ তিনিও তেওটিয়ার ভেল্কির শিকার।

ঠিক যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচ স্টিভ স্মিথদের হাতের মুঠোয়, সেখান থেকেই ব্যাট হাতে সামনে থেকে কেকেআরকে নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন মর্গ্যান৷ চোট সারিয়ে চার ম্যাচ পর দলে ফেরা আন্দ্রে রাসেলের সঙ্গে জুটি বেঁধে ষষ্ঠ উইকেটে মাত্র ১৮ বলে ৪৫ রান যোগ করেন নাইটদের স্কোর বোর্ডে। তিনটি ছয় ও একটি চার মিলিয়ে ১১ বলে ২৫ রান করে আউট হন রাসেল৷ দলের স্কোর বোর্ডে তখন ৬ উইকেটে ১৪৪ রান। হাতে তখনও ২৭ বল বাকি।

তবে শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে ৬৮ রানের অপরাজিত থাকেন কেকেআর ক্যাপ্টেন মর্গ্যান৷ ইনিংসের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে রাজস্থান রয়্যালসের সামনে ম্যাচ জেতার জন্য ১৯২ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখেন।

রান তাড়া করতে নেমে নাইট বাহিনীর পেস অ্যাটাকের সামনে শুরু থেকেই হিমসিম খেতে হয়েছে রাজস্থান রয়্যালসের ব্যাটিং লাইনকে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান তুলতে সক্ষম হয় টিম স্মিথ। দলের ৭ জন ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্কের রান তুলতে ব্যর্থ হন।

নাইট রাইডার্সদের হয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন প্যাট কামিন্স। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন শিভম মাভি ও বরুণ চক্রবর্তী।