Ad
রাজনীতিরাজ্য

দলবদল একটা ব্যবসা ও ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে! দলবদলুদের নিয়ে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : দলবদল তো এখন একটা ফ্যাশন, একটা ব্যবসা হয়েছে। বিজেপির দল বদলুদের নিয়ে এমনটাই কটাক্ষ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একের পর এক বিজেপির নেতার তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়ে এবার মুখ খুললেন তিনি।

তন্ময় ঘোষ, বিশ্বজিত দাসের পর শনিবার দল ছাড়লেন কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক সৌমেন রায় । স্বাভাবিক ভাবেই এই দলবদলে অস্বস্তি বেড়েছে বিজেপির। গেরুয়া শিবিরের মতে দলবদলুদের শিক্ষা দেবেন সাধারন মানুষ।

Ad

তবে এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ পাল্টা বলেন, “টিএমসির অনেকে বিধায়ক চলে এসেছিল আমাদের দলে। তাহলে কি টিএমসি হেরে গেছে? আমাদের দলেও অনেককে টিকিট দেওয়া নিয়ে বিরোধ হয়েছিল। তাও আমরা জায়গা দিয়েছিলাম।”

প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উপস্থিতিতে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময়। পর দিনই তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী কাকলি ঘোষদস্তিদারের হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নেন উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস।

এই তিন বিধায়কের দলত্যাগের পর রাজ্য বিধানসভায় বিজেপির ক্ষমতা আরও কমল। গেরুয়া শিবিরের বর্তমান ক্ষমতা ৭১-এ এসে ঠেকেছে। জল্পনা চলছে যে আগামী দিনে আরও কয়েকজন বিধায়ক বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে চলে আসতে পারেন।

তবে দিলীপ ঘোষের অবশ্য দাবি, “যারা দলত্যাগ করেছে তাদের বিভিন্ন রকম ব্যাবসা বানিজ্য আছে। চাপ দেওয়া হচ্ছে। লোভ দেখানো হচ্ছে। ” কিন্তু প্রশ্ন উঠছে বিজেপি কেন তাঁদের আটকে রাখতে পারছে না। এই প্রশ্নের উত্তরে রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, “বিধায়করা গোরু ছাগল নাকি যা আটকে রাখবো? আটকে রাখা মুশকিল। তৃণমূল সিন্ডিকেট করে, টাকা কামানোর ব্যাবস্থা করে দিয়েছিল, তাও ডজন ডজন লোক পালিয়েছে। যে দিকে পাল্লা ভারী হবে সে যাবে। সাধারন মানুষ শিক্ষা দেবে এদের।”

আরও পড়ুন