উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ন ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে দল পরিবর্তন

ইউবিজি নিউজ, ব্যুরো রিপোর্ট : বেশ কিছু হেভিওয়েট সাংসদ এবং বিধায়ক বিজেপি ছেরে তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। এই খবরে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। আপাতত সেই খবর বাস্তব রুপ না পেলেও, উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় বিজেপি শিবিরে ভাঙন ধরিয়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

সোমবার আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে বেশ কিছু বিজেপি নেতা কর্মী তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর, মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকে বিজেপি ছেরে তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রায় ১০০ টি পরিবার।

মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল এসসি-এসটি সেলের সভাপতি কৃষ্ণ দাসের উপস্থিতিতে রাজগঞ্জ ব্লকের বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০০ টি পরিবারের সদস্যরা বিজেপি ছেরে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেন। তৃণমূলে যোগদানকারী এই বিজেপি নেতা কর্মীদের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা তুলে দেন কৃষ্ণ দাস।

রাজগঞ্জের জলডুমুর গ্রামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কৃষ্ণ দাস দাবি করেন, আগামী ১৪, ১৮ এবং ১৯ আগস্ট, বেশ কিছু বেজেপি নেতাকর্মী তৃণমূলে যোগদান করবেন। বিজেপির মিথ্যা প্রতিশ্রুতির কারণে বিতশ্রদ্ধ হয়েই এই ১০০ টি পরিবার বিজেপি ছেরে তৃণমূলে যোগদান করলেন বলে জানিয়েছেন কৃষ্ণ দাস।

২০১৬ বিধান সভা নির্বাচনে রাজগঞ্জ আসনে ১৪ হাজার ভোটে জয়লাভ করেন তৃণমূল প্রার্থী। কিন্তু ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে অনেকটাই ব্যাকফুটে ফেলে, জলপাইগুড়ি লোকসভা আসনে জয়লাভ করেন বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়। সামনেই ২১ শের বিধানসভা নির্বাচন। তাই ২১ কে পাখির চোখ করে, দিকে দিকে ছোট ছোট করে বিজেপি ছেরে তৃণমূলে যোগদান উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।