নারদ মামলায় গ্রেফতারের ঘটনায় রাজ্যপাল কে দৈত্য, রক্ত খেকো বাঘ’ বললেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : নারদ মামলায়(Narada Sting Case)গ্রেফতার চার হেভিওয়েট। প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির জন্য এই পদক্ষেপ বলে দাবি করেছেন তৃণমূল।

এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা সৌগত রায় জানান, এটি সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ। একুশের নির্বাচন হেরে যাওয়ার পর কেন্দ্রীয় BJP-র নেতৃত্বের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে CBI। এদিন রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সৌগত রায় জানান, রাজ্যপাল কেন চার্জশিট প্রসঙ্গে অনুমতি দিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আদালতে মোকাবিলা হবে।তৃণমূল নেতা তাপস রায় জানান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য এই গ্রেফতারি।

নিজেদের পরাজয় মানতে পারেনি BJP। এদিকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, গ্রেফতারির জন্য রাজ্যপালের অনুদান দেওয়া অবৈধ। তাঁর গ্রেফতারের অনুমোদন দেওয়ার কোনও ক্ষমতা নেই। তিনি প্রশ্ন তোলেন মুকুল রায়কে কেন গ্রেফতার করা হল না? তিনি আরও বলেন, ‘রাজ্যপাল একটা দৈত্য, রক্ত খেকো বাঘ।’

প্রসঙ্গত, নারদ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে পরিবহণমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে। এই প্রসঙ্গে এদিন রত্না এক সাংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণ। ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জিততে পারেনি। তাই এসব করেছি। BJP-র প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণ। ভোটে লড়ে পারেনি,তাই এসব করেছে। নোটিশ ছাড়া কাউকে তুলে আনতে পারেনি।’

নারদ তদন্তে CBI-এর গ্রেফতারি নিয়ে এবার মুখ খুললেন নারদ কর্তা ম্যাথু স্যামুয়েল (Mathew Samuel)।এদিন ম্যাথু স্যামুয়েল বলেছেন, ‘বিচার পেতে অনেকটা সময় লেগে গেল। কিন্তু, দেরি হলেও বিচার হয়েছে। আজ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে শুভেন্দু অধিকারীও তো আমার থেকে টাকা নিয়েছেন। সেটা রেকর্ড করাও হয়েছে। তাহলে তাঁকে গ্রেফতার করা হল না কেন? সবার জন্যই এক বিচার হওয়া দরকার।’