বাংলায় দুর্গাপুজোয় বাধা, জয় শ্রীরাম স্লোগান রোখার চেষ্টা, CAA-র রোখার বিরোধিতা হচ্ছে :মালদহে তোপ যোগীর

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : ভোটের দিন ঘোষণার পর এই প্রথম রাজ্যে প্রচারে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মালদহের জনসভা থেকে বাংলায় পরিবর্তনের ডাক দিলেন তিনি। বললেন, সনাতন সংস্কৃতির পীঠস্থান বাংলা৷ সেই বাংলার মধ্যে আজ অরজকতা, অপরাধ চলছে৷ বাংলায় নতুন পরির্তন আনতে হবে৷

এগিন যোগীর মুখে শোনা যায় জাতীয়তাবাদী ভাবনার কথা৷ তিনি বলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় এই মাটিতে বসেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বন্দেমাতরম গান লিখেছিলেন৷ সুপ্ত রাষ্ট্রীয় চেতনাকে তিনি জাগ্রত করেছিলেন৷ দেশের প্রথম নোবেল এনে দিয়েছিল বাংলা৷ গীতাঞ্জলীর জন্য নোবেল পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর৷ আজ সেই বাংলা কোথায় তলিয়ে গিয়েছে৷ ভারতকে পথ দেখানো, নেতৃত্ব দেওয়া বাংলায় আজ দারিদ্রতা, অরজকতা চলছে৷ বাংলার অরজকতায় কষ্ট পায় গোটা দেশ৷

তোপ দেগে বলেন, ‘‘এখানে কেন্দ্রীয় প্রকল্প লাগু হতে দেওয়া হয় না৷ এখানে দুর্গাপুজোয় বাধা দেওয়া হয়৷ ইদে জোড় জবরদস্তি গোহত্যা করা হচ্ছে৷ এখানে মানুষের আবেগ নিয়ে সঙ্গে খেলা করা হয়৷ এ রাজ্যে জয় শ্রীরাম ধ্বনিতেও বাধা দেওয়া হয়৷

’’ এর পরেই সুর চড়িয়ে আদিত্যনাথ বলেন, ‘‘বাংলার সরকারকে বলতে চাই, উত্তরপ্রদেশে রাম ভক্তদের উপর গুলি চালানো সরকারের অবস্থা কী হয়েছে, তা সকলেই দেখেছে৷ এবার পালা তৃণমূল সরকারের৷’’ তাঁর কথায়, সারা দেশের মানুষ রামের নামে চলে৷ কারও সঙ্গে সাক্ষাতেও ‘রাম-রাম’ বলা হয়৷ আবার মৃত্যুর পরেও রাম নাম নিয়েই পরলোকযাত্রা হয়৷

যোগীর কটাক্ষ, এখানে সরকার রাম নাম সহ্য করতে পারে না৷ অথচ অরজকতা সৃষ্টিকারীদের সঙ্গে তৃণমূলের কিসের গাটবন্ধন? এখানে পীড়িতদের পাশে দাঁড়াতে চাইলে বাধা দেওয়া হয়৷ বিভিন্ন দেশের শরণার্থীদের জন্য কেন্দ্রের আইনের বিরোধিতায় সোচ্চার হয়েছে৷ অথচ অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের এখানে আশ্রয় দেওয়া হয়৷ রাজ্যের মানুষের কথা ভাবে না সরকার৷ কেন্দ্রের কোনও প্রকল্পের সুবিধন এ রাজ্যের মানুষ পায় না৷