রণক্ষেত্র কোচবিহার, শীতলকুচিতে প্রথমবার ভোট দিতে এসে গুলিবিদ্ধ তরুণ

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : চতুর্থ দফার ভোট গ্রহণের দিনেই রণক্ষেত্র কোচবিহারের শীতলকুচি। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে চলল গুলি। শীতলকুচির পাঠানটুলিতে চলেছে গুলি। এক বিজেপি কর্মীর মাথায় গুলি লেগেছে বলে অভিযোগ। যদিও তৃণমূলের দাবি তাঁদের কর্মীর গুলি লেগেছে মাথায়। মারা গিয়েছেন ১৮ বছরের যুবক। ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। সকাল থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে শীতলকুচিতে।

শীতলকুচিতে গুলি

চতুর্থ দফার ভোটে শুরুতেই কোচবিহারে চলল গুলি। একজনের মৃত্যু হয়েছে পাঠানপুলিতে। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে শীতলকুচি। মৃত রাজনৈতিক কর্মী বিজেপি না তৃণমূল তা এখন স্পষ্ট নয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় ব়্যাফ নামানো হয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপির হয়ে কাজ করছে এলাকায়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি

কমিশনের রিপোর্ট তলবকোচবিহারের পাঠানপুলিতে গুলি চালানোর ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। কী কারণে ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন ছিল তার বিস্তারিত রিপোর্ট জানতে চাওয়া হয়েছে। তবে গুলি চালানোর ঘটনার পরেও প্রচুর মানুষ ভিড় করেছেন ভোট কেন্দ্রে। তাঁরা বুথে গিয়ে ভোট দিচ্ছেন এমনই ছবি দেখা গিয়েছে।

রবীন্দ্রনাথ ঘোষের অভিযোগতৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ অভিযোগ করেছেন সংখ্যালঘু ভোট পেতেই অশান্তি ছড়াচ্ছে বিজেপি। সংখ্যালঘু ভোটের জন্যই অশান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তৃণমূলের সঙ্গে সংখ্যালঘু ভোট রয়েছে বলেই শীতলকুচিতে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে হামলা চালাচ্ছে বিজেপি। ভোটাররা যাতে ভয় পেয়ে এলাকায় যেতে না পারেন সেজন্যই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

এলাকায় আতঙ্কশীলকুচিতে গুলি চালানোর ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তৃণমূল-বিজেপি একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ করেছে। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন ভোট দিতে না দেওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। তাঁরা এসে দফায় দফায় ভয় দেখাচ্ছে।