লক্ষাধিক টাকার অবৈধ কাঠ উদ্ধার এবং চেরাই মিল সিল করল বন দফতর

ইউবিজি নিউজ, ঘোকসাডাঙ্গা : গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বন দফতরের কোচবিহার ডিভিশন প্রায় ১৪০ সিপ্টি শাল,খয়ার সেগুন ও শিরিশ কাঠ উদ্ধার এবং বাজেয়াপ্ত করল বন দপ্তর। পাশাপাশি একটি কাঠ চেরাই মিলও সিল করল বন দফতর। বাজেয়াপ্ত কাঠ গুলিকে মাথাভাঙ্গা রেঞ্জ অফিসে নিয়ে গিয়ে ঘটনার তদন্তে বন বিভাগ।

জানা গিয়েছে, মাথাভাঙ্গা ২ ব্লকের লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুশিয়ার বাড়ীতে একটি সইং মিল রয়েছে। সেখানে অবৈধ কাঠ সেগুন ও শিরিস কাঠ দিয়ে বিছানা তথা খাট, আলমারি, ড্রেসিং টেবিল ইত্যাদি বানিয়ে বাজারে বিক্রি করা হয় এমনটাই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনি বার কোচবিহার বন বিভাগের ডি এফ ও সঞ্জীব কুমার সাহার নেত্রিত্বে কুশিয়ার বাড়ীতে আচমকা হানা দেয় বন দফতর।

প্রায় সাত টি তৈরি করা খাট এবং আলনা এবং কাঠের তক্তা কাঠের লগ, হাতে নাতে ধরে ফেলে বন দফতরের কর্তারা। এ ছারাও সইং মিলের বৈধ কাগজ না থাকায় মিলটিকেও সিল করা হয় বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে কোচবিহার বন বিভাগের ডি এফ ও সঞ্জীব কুমার সাহা বলেন, আমরা জলদা পাড়া সাউথ সেক্শন এর থেকে খবর পাই যে বনের কাঠ মাথাভাঙ্গা ২ ব্লকের এই চত্বরে অবৈধ ভাবে আমদানি হয়৷ খবর অনুপাতে আমরা কুশিয়ার বাড়ী এলাকার হবিবর রহমানের বাড়িতে আসি । সেখানে একটি কাঠ চেরাই মিল রয়েছে যার কোন বৈধ কাগজ তিনি দেখাতে পারেন নি এবং তার বাড়িতে একটি ফারনিচার কারখানা আছে যারও কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেন নি।

এমন কি যে কাঠ এবং কাঠের লগ উদ্ধার হয়েছে সেগুলি জঙ্গলের অবৈধ কাঠ তা তিনি স্বীকার করেছেন। আমরা সেগুন, শাল, শিরিশ, খয়ার মিলে প্রায় ১৪০ ছিপ্টি কাঠ বাজেয়াপ্ত করেছি যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা এবং বৈধ কাগজপত্র না থাকায় সইংমিল টিকেও সিল করেছি।