Ad
উত্তরবঙ্গ

তুফানগঞ্জে নিহত ২ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে রাহুল সিনহা

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

ইউবিজি নিউজ,তুফানগঞ্জ : “পুলিশ অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করুক,না হলে কয়েক মাস পরে ক্ষমতায় এসে আমরাই করে নেব।”

শনিবার কোচবিহার সফরে এসে তুফানগঞ্জ মহকুমার নিহত ২ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে পরিবারকে সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি এই কথাই বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা।

Ad

তিনি বলেন, রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। পুলিশ কার্যত দলদাস হয়ে কাজ করছে। ক্রমাগত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ওপর আক্রমণ নেমে আসছে। এইভাবে চলতে থাকলে সরকার গঠন করে সমস্ত বিষয়টি বুঝে নেবে বিজেপি।

শনিবার তুফানগঞ্জ এলাকায় নিহত ২ বিজেপি কর্মী শিকারপুর নাককাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের শিকারপুর এলাকার বাসিন্দা কালাচাঁদ কর্মকার এবং অন্দরানফুলবারি এক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সুভাষপল্লী বাসিন্দা স্বপন দাস এর বাড়িতে পৌঁছান রাহুল সিনহা। নেতাকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে দুই পরিবার।

অভিযোগ মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও আইনি কার্যকলাপ নেই। দুই পরিবারের হাতেই সাহায্য তুলে দেন তিনি। এদিন তার সাথে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা সভাপতি মালতি রাভা, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তী, সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতি আলী হোসেন, বিজেপি জেলা কমিটির সদস্য উজ্জ্বল কান্তি বসাক, তুফানগঞ্জ এর সংযোজক উৎপল দাস সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

রাহুল সিনহা নিজের বক্তব্যে বলেন, যে সন্ত্রাস এবং ভয়াবহ রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে শুরু হয়েছে তা অভিপ্রীয় নয়। সাধারণমানুষ আতঙ্কে রয়েছে।সাধারণ মানুষের সুরক্ষা তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে। উত্তরকন্যা জেলা ও কান্ডে মৃতজলপাইগুড়ির বিজেপি কর্মী উলেন রায় বাড়িতে তিনি গিয়েছিলেন।

তিনি মন্তব্য করে বলেন,রাতের অন্ধকারে ময়না তদন্ত করার কি এমন প্রয়োজনীয়তা হয়ে পড়েছিল রাজ্য সরকারের,কেন রাজ্য সরকার দিনের আলোয় ময়না তদন্ত করতে ভয় পাচ্ছে।রাজ্যের উর্দ্ধতন প্রশাসনিক কর্তাদের সাথে রাজ্যপাল কথা বলতে চাইলেও তারা কেন আসছেন না তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তিনি পরিষ্কার জানান, এই সরকারের মেয়াদ মাত্র কয়েক মাস। মানুষ এদের ছুঁড়ে ফেলে দেবে। এই সরকারের সমস্ত দুর্নীতি এবং সমস্ত জুলুমের হিসাব তুলে নেবে বিজেপি।

আরও পড়ুন