মাথাভাঙ্গা বিধানসভায় এবার ফুটবে পদ্মফুল, জনসংযোগ এগিয়ে মহিলারা

ইউবিজি নিউজ ব্যুরো : মন্ত্রীর দুর্গ মাথাভাঙ্গা এবার পদ্মফুল ফুটবে বলে দাবি করছেন মাথাভাঙ্গার ভূমিপুত্র তথা বিজেপি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ বর্মন। তিনি বলেন বিগত ১০ বছরের মন্ত্রিত্বকালে মাথাভাঙ্গার মানুষের জন্য মন্ত্রী ভাবেননি, মানুষের সাধারণ প্রয়োজন মেটাতে অসমর্থ হয়েছে সরকার।তাই ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার গুলি কে সামনে রেখে মাথাভাঙ্গা মন্ত্রীর ঘরে ফুটবে পদ্মফুল।

অভিজিত বাবু বলেন বেশ কিছু ইসু রয়েছে এবার নির্বাচনে। এদের মধ্যে প্রথম দাবি মহিলা কলেজ। মাথাভাঙ্গা তে মহিলা কলেজের দাবি দীর্ঘদিনের কিন্তু সেই দাবি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। একইসাথে পানীয় জল সবথেকে বড় সমস্যা। কি পৌরসভা কি পঞ্চায়েত এলাকা সবখানেই পানীয় জলের সমস্যা মারাত্মক।

সেই সাথে গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট একপ্রকার নেই বললেই চলে। এমনকি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের রাস্তা পর্যন্ত হয়নি এলাকায়। সমস্যা রয়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ও।প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুলিকে অবিলম্বে আধুনিকীকরণ করা দরকার। চাইল্ড আইটিআই কলেজ পলিটেকনিক কলেজ। এইসব দাবি পূরণ হবে পদ্ম ফুল ফুটলে।

তিনি সরাসরি অভিযোগ করে বলেছেন,মাথাভাঙা বিধানসভার ক্ষেত্রে কাটমানি সবথেকে বড় ইস্যু। তাহার দাবি মাথাভাঙ্গা তে নেতাদের উন্নয়ন হয়েছে, সাধারণ মানুষের কোনো উন্নয়ন হয়নি। এন আর ই জি এস এর টাকা কাটমানি হিসেবে নেতৃত্ব খেয়েছেন। সাধারণমানুষ সুবিধা পায়নি।

তার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ক্ষেত্রেও প্রতি ঘর পিছু কুড়ি থেকে ত্রিশ হাজার টাকা করে এডভান্স পেয়েছে নেতারা। অথচ একটি টাকাও লাগার কথা নয় গরীব মানুষের। তিনি দাবি করেছেন ক্ষমতায় এলে সমস্ত অভিযোগ প্রমাণ সহ সাধারন মানুষের কাছে তুলে ধরবেন ।

কাঠ মানির পাশাপাশি সন্ত্রাস কেউ অন্যতম করেছেন তিনি। তিনি বলেন, রাজ্যের সাথে তাল মিলিয়ে মাথাভাঙ্গাতে ও গণতান্ত্রিক অধিকার বলে কিছু নেই। এখানে বোমা গুলির রাজত্ব চলছে। ২৪ শে ডিসেম্বর তার উপরেও হামলা চলছে বলে জানান তিনি। প্রতিনিয়ত বিজেপি কর্মীদের উপরে আক্রমণ নেমে আসছে তৃণমূল কর্তৃক। আহত হচ্ছে আক্রান্ত হচ্ছে বিজেপি কর্মীরা। মানুষের মধ্যে ক্ষোভ জমা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনটি আলাদা পদ্ধতিতে প্রচার হবে। যার মধ্যে ইতিমধ্যেই দুটো পদ্ধতি চালু রয়েছে। প্রথম মিটিং এবং সমাবেশ, এবং দ্বিতীয় সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার।দ্বিতীয় প্রচারের ক্ষেত্রে মূলত মহিলা মোর্চার সদস্যরা কাজ করছেন। এবার সামনের সারিতে থেকে কাজ করবেন। বাকি যারা নেতৃত্ব রয়েছে তারা মিটিং সমাবেশ বুথ স্তর থেকে শুরু করে বিধানসভা ভিত্তিক কাজ করবেন।

তবে মহিলাদের দায়িত্ব এই বছর সবথেকে বেশি। তারাই মূলত প্রতি ঘরে পদ্ম ফুল ঢুকানোর কাজ করবেন। অভিজিত বাবুর দাবি, মাথাভাঙ্গা কমপক্ষে ১ লক্ষ ভোটের হার হবে তৃণমূল কংগ্রেসের। সাধারণমানুষ আতঙ্ক ছাড়া ভোট দিতে যাবে বুথে। অবশ্যই সেই ব্যবস্থা করবে কেন্দ্রীয় সুরক্ষা বাহিনী। সাধারণ মানুষের আশীর্বাদে এই এইবার জোড়া ফুলের জায়গায় পদ্মফুল মাথাভাঙ্গা।