গাঁজার পর এবার অবৈধ পোস্ত চাষের বিরুদ্ধে অভিযানে নামল আবগারি দপ্তর ও মাথাভাঙ্গা থানার পুলিশ

মাথাভাঙা, ১০ জানুয়ারিঃ গতকালকের পর আজ পোস্ত গাছ কাটার অভিযানে নামল আবগারি দপ্তর ও মাথাভাঙ্গা থানার পুলিশ। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন মাথাভাঙ্গা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুরজিৎ মন্ডল, মাথাভাঙ্গা থানার আইসি তপন পাল। এছাড়া এখানে উপস্থিত ছিলেন, আবগারি দফতরের এক্সাইজ অফিসার ফিন জু লামা, এক্সাইজ অফিসার দিলীপ কুমার বর্মন সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

আবগারি দপ্তর এবং পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আনুমানিক প্রায় সাত বিঘা অবৈধ পোস্ত চাষ কেটে ধ্বংস করা হয় অর্থাৎ শুরুতেই নির্মূল করে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করে আবগারি দপ্তর ও পুলিশ।

উল্লেখ্য, পোস্ত গাছ বড় হয়ে যাওয়ার পর ফুল হয়, ওই ফুল থেকে ফল হয়, ওই ফল ব্লেড দিয়ে ফেরার পর যে আঠা বের হয়, সেই আডা থেকেই আফিম তৈরি হয়। আর সেই ফলের বীজ দিয়ে পোস্ত তৈরি করা হয়। তাই এই পোস্ত চাষ সম্পূর্ণ অবৈধ বলে জানান পুলিশ ও আবগারি দপ্তরের আধিকারিকরা।

আজকের এই অভিযানে সাফল্য পেয়েছে বলে দুই দপ্তরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন। অদ্ভুতভাবে লক্ষ করা গেছে বোলতা পাড়ায় একটি পোস্ত ক্ষেতে পুলিশ যাওয়ার আগেই জমিতে জল দিয়ে ভর্তি করে রাখে। সেই জলের উপর দাঁড়িয়ে অভিযানে আসা আধিকারিক ও কর্মীরা পোস্ত গাছ কেটে ধ্বংস করে দেয়।

এই অভিযানের সময় এলাকা ছিল শুনশান কোনও মানুষজনের দেখা মেলেনি। বেলতা পাড়ার সচেতন মানুষ এই নদীর চরে অবৈধ পোস্ত চাষ ধ্বংস করা এবং অভিযানে নামাকে ভালো চোখে দেখছে বলে জানা যায়।

এবিষয়ে মাথাভাঙা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুরজিৎ মন্ডল ও এক্সাইজ অফিসার ফিনজু রামা বলেন, ‘হাজরাহাট পূর্ব বালাসি এলাকায় পোস্ত চাষ ধ্বংস করার পরে নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের কেন্দুগুরি এলাকায় প্রায় ১২ বিঘা অবৈধ গাজা গাছ কেটে ধ্বংস করা হয়।’