সর্বহারা এক অন্ধ বৃদ্ধার পাশে দাড়ালেন তৃণমূল নেতা, খাদ্যসামগ্রীর পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা

মালদা, ৯ অক্টোবর : মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার মালিওর এলাকার লোটেরা গ্রামের বাসিন্দা বৃদ্ধা গোলেনুর। অসহায় অবস্থায় পরিতক্ত ভাবে দিন কাটত তার।

 জন্মের এক মাস পর থেকেই অন্ধ সে। বাবা-মা মারা গেছে বহুদিন আগে। পরিবার-পরিজন বলতে কেউ নেই। বাবার মৃত্যুর পর শরিকরাও সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছে তাকে।

তারপর সুলতান নগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার পার্শ্ববর্তী যোগীলাল গ্রামে গিয়ে ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে দিন যাপন করে অন্ধ অসহায় বৃদ্ধা গোলেনুর। আগে যাও বা ভিক্ষা মিলত বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটুকু ও জুটতো না ।

সরকারি সাহায্য মেলেনা, মেলেনি আবাস যোজনার ঘর বা কোনো ভাতা। খাওয়া, থাকার কোনো ঠিক নেই। অন্যের দয়াদাক্ষিন্যেই কাটছিল দিন।

এই খবর সম্প্রতি প্রচারিত হয়। খবরের জেরে এবার অসহায় এই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূলের মালদা জেলার সাধারণ সম্পাদক তথা হরিশ্চন্দ্রপুর এর বুলবুল খান।

 শুক্রবার এই বৃদ্ধার সঙ্গে দেখা করে তাকে খাদ্যদ্রব্য এবং আর্থিক সাহায্য করলেন। এছাড়াও ভবিষ্যতে বৃদ্ধার পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন। বুলবুল বাবুর কাছ থেকে সাহায্য পেয়ে হাসি ফুটেছে অন্ধ অসহায় বৃদ্ধা গোলেনুর এর মুখে।

বুলবুল খান বলেন,”সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকেই আমি বৃদ্ধার দুরাবস্থার কথা জানতে পারি। আজ গিয়ে চাল,ডাল কাপড় এবং সামান্য আর্থিক সাহায্য করে এলাম।

উনি যাতে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পান সেদিকে লক্ষ্য রাখবো। ভবিষ্যতে উনার যে কোন দরকারে পাশে থাকবো।” গোলেনুর জানান,”আজ বুলবুল বাবু এসে আমাকে সাহায্য করলেন। ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। এই সাহায্য পেয়ে আমি খুব খুশি।”

এই প্রথম নয় হরিশ্চন্দ্রপুরের এই দাপুটে তৃণমূল নেতা বহুবার অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। করোনা পরিস্থিতিতে বহু দুঃস্থ পরিবারের প্রতি বাড়িয়ে দিয়েছেন তার সাহায্যের হাত।

আসলে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোকেই তিনি জনসংযোগের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন।