অজ্ঞাত পরিচয়ের তরুণী উদ্ধার মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায়

মালদা;০৯ জানুয়ারি: গতকাল সন্ধ্যায় অজ্ঞাত পরিচয়ের এক বধির তরুণীকে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দিল স্থানীয় বাসিন্দা আকবর আলি।

 সন্দেহভাজন এই তরুণীর কোনো পরিচয়পত্র এখনও পাওয়া যায়নি। আপাতত পুলিশি হেফাজতে রয়েছে এই তরুণী।

উত্তর তালসূর পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা আকবর আলি। ঐদিন রাতে এলাকায় ঐ অপরিচিত তরুণীকে ঘোরাঘুরি করতে দেখে সন্দেহ হয় তার। নিকটে গিয়ে পরিচয় জিজ্ঞেস করলে জানতে পারেন তরুণীটি মূক ও বধির এবং স্থানীয় বাসিন্দা নয়। তাকে তার পরিচয় জিজ্ঞেস করলেও কোনো রকম সূত্র দিতে পারেনি মেয়েটি। এরপরই তিনি নিজের সাথে বাড়িতে নিয়ে আসেন ঐ তরুণীকে। পরে থানায় ফোন করলে, সকালে থানায় নিয়ে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয় থানা থেকে। সেইমতো পরদিন আজ সকালে তরুণীকে সাথে নিয়ে থানায় আসেন তিনি।

হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আইসি সঞ্জয় কুমার দাস উক্ত ব্যক্তি আকবর আলিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন তিনি খুব ভালো কাজ করেছেন যথাসময়ে তরুণীকে থানায় এনে। এর যথাযথ তদন্ত করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন এবং যেহেতু ঐ তরুণী কথা বলতে পারেনা তাই স্থানীয় ডিফ অ্যান্ড ডাফ স্কুলের সাহায্য নেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এরপর শিশু সুরক্ষা কমিটির সাথে যোগাযোগ করে, তরুণী যাতে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে যেতে পারে, প্রশাসনের তরফ থেকে সেই চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানান।

হরিশ্চন্দ্রপুর নিবাসী আকাবর আলি জানান, “আমি উত্তর তালসূর পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা, আমার বাড়ি দক্ষিণ দিকে। গতকাল সন্ধ্যায় সূর্য ডোবার পর মেয়েটিকে ঘোরাফেরা করতে দেখি। পরিচয় জিজ্ঞেস করলে কোনো উত্তর দিতে পারেনি সে। এরপর আমি তাকে বাড়ি নিয়ে যাই এবং থানায় ফোন করি। থানা থেকে আমাকে নির্দেশ দেয় মেয়েটিকে থানায় নিয়ে আসার। সেই মতো থানায় নিয়ে আসি। এখনও পর্যন্ত মেয়েটির কোনো পরিচয় আমরা পাইনি।

হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস বলেন, “প্রথমেই আকবর আলিকে ধন্যবাদ জানাই যথাসময়ে মেয়েটিকে আমাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য।

মেয়েটির পরিচয় এখনও জানা যায়নি তবে আমরা চেষ্টা করছি যাতে তাকে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। এবিষয়ে আমরা স্থানীয় ডিফ অ্যান্ড ডাফ স্কুলের সাহায্য নেব এবং শিশু সুরক্ষা কমিটির সাথে যোগাযোগ করব।”

অজ্ঞাত পরিচয় এই তরুণীর পরিচয় জানতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।