Ad
জলপাইগুড়িরাজ্য

রাজগঞ্জে আদিবাসী নাবালিকা দুই বোন ধর্ষন কান্ডের তদন্তে এলো রাজ্যে চাইল্ড রাইট কমিশনের তিন প্রতিনিধি দল

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

ইউবিজি নিউজ, জলপাইগুড়িঃ- রাজগঞ্জের দুই নাবালিকাকে গণধর্ষণের ঘটনায় প্রথমিক ভাবে এখনো পর্যন্ত যে মেডিক্যাল রিপোর্ট এসেছে, তাতে গণধর্ষণের প্রমান পাওয়া যায়নি বলে দাবি করলেন রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়াপার্সন অনন্যা চক্রবর্তী। তবে, এখনো তদন্ত শেষ না হওয়ায়, তদন্ত শেষ হলে বিষয়টি আরও নির্দিষ্টভাবে বলা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

চলতি মাসের ৪ তারিখে রাজগঞ্জ ব্লকের সন্যাসীকাটা গ্রামের দুই নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ৪ তারিখ থেকে নিখোঁজ থাকার পর ৬ তারিখে বাড়ি ফিরে আসে দুই নাবালিকা। সেই দিনই কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে দুই নাবালিকা। বড়ো বোনের মৃত্যু হলেও, ছোট বোনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। ছোট বোনের কথা মতো নাবালিকার পরিবার স্থানীয় ৫ জনের বিরুদ্ধে রাজগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত নেমে অভিযুক্ত ৫ যুবককে গ্রেপ্তার করে৷

Ad

এই ঘটনায় তোলপাড় হয় গোটা রাজ্য। আজ কোলকাতা থেকে রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়াপার্সন অনন্যা চক্রবর্তী সহ মোট তিন সদস্যের একটি দল জলপাইগুড়িতে আসে ওই নাবালিকা গণধর্ষণের ঘটনার খোঁজ খবর নিতে। প্রথমে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি নাবালিকার সাথে কথা বলেন দলের সদস্যরা। এর পর জলপাইগুড়ি সার্কিট হাউসে জেলা শাসক অভিষেক তিওয়ারি , জেলা পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব, চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটর চেয়ারপার্সন বেবী উপাধ্যায়ের সাথে বৈঠক করে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর নেন দলের তিন সদস্য। এই তিন সদস্যের টিমটি নাবালিকার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথেও কথা বলবেন।

জলপাইগুড়ি সার্কিট হাউসে বৈঠক শেষে রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়াপারর্সন অনন্যা চক্রবর্তী বলেন, এখনো পুলিশের তদন্ত শেষ হয়নি। তবে এখনও পর্যন্ত যে মেডিক্যাল রিপোর্ট এসেছে, তাতে গণধর্ষণের কনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এক জন নাবালিকা মারা গেলেও তার ছোট বোন এখন ভালো আছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নাবালিকার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পুলিশকে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়াপারর্সন অনন্যা চক্রবর্তী।

আরও পড়ুন