স্ত্রী’র সতীত্ব পরীক্ষা করতে ফুটন্ত তেলের মধ্যে হাত ডুবিয়ে দিল স্বামী

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : আজও সমাজে মেয়েদের আকছাড় অসম্মান, অবমাননা, অত্যচার সহ্য করতে হয় মুখ বুজে । আজও প্রাপ্য মর্যদার জন্য লড়াই করতে হয় নারীদের । কিন্তু পুরুষতান্ত্রিক সমাজ মেয়েদের সমান আসনে বসাতে বেশিরভাগ সময়ই নারাজ । তবু নিজের অধিকারের জন্য লড়াই করে মেয়েরা । কেউ পারে, কিউ বিফল হয় । এ ক্ষেত্রে অবশ্য জয় হল পুরুষতান্ত্রিকতারই । স্ত্রী’র সতীত্ব পরীক্ষা করতে তাঁর হাত ফুটন্ত তেলে ডোবাতে বলল খোদ স্বামী ।

মারাত্মক এই ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের অসমানাবাদ এলাকায় । গোটা ঘটনার একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় । স্ত্রী’র অগ্নিপরীক্ষা নেওয়ার জন্য যে ভয়াবহ কাজ করতে বাধ্য করল স্বামী, তা দেখে হাড় হিম হয়ে যাচ্ছে নেটিজেনদের ।

সূত্রের খবর, গত ১১ ফেব্রুয়ারি স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে কাউকে কিছু না বলে ঘর ছেড়েছিলেন ওই মহিলা । মহিলার স্বামী স্থানীয় এলাকায় গাড়ি চালায় । কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় স্ত্রী’র খোঁজ করে ওই ব্যক্তি । অবশেষে চার দিন পড়ে ফের বাড়িতে ফিরে আসেন তার স্ত্রী । বাড়ি ফিরে ওই মহিলা জানান, বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওসমানবাদ বাস স্টপেজে তিনি খাঁচাপুরীর বাস ধরার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন । সেই সময় চারটি ছেলে এসে জোর করে তাঁকে তুলে নিয়ে যায় । একটা অচেনা জায়গায় তাঁকে বন্দী করে রাখে। ৪ দিন পর কোনওরকমে ফিরে এসেছেন তিনি ।

কিন্তু এই কথা শোনার পর থেকেই স্ত্রী’র চরিত্র নিয়ে নানারকম প্রশ্ন উঠতে থাকে ওই ব্যক্তির মনে । পারধি সমাজের নিয়ম অনুসারে ওই মহিলা’কে সতীত্বের পরীক্ষা দিতে বলা হয় । এই পরীক্ষায় ফুটন্ত তেলের মধ্যে থেকে পয়সা তুলে আনতে হবে । সেই মতো ২টি পাঁচ টাকার কয়েক গরম তেলের মধ্যে ফেলে দেয় ওই ব্যক্তি । মহিলাও তেলের মধ্যে হাত ডুবিয়ে দেন । তাঁর হাত পুড়ে গেলেও, পয়সা তুলে আনতে ব্যর্থ হন তিনি।

ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য প্রশাসন ।