ভোটার কার্ডে ও আধার লিঙ্ক ,নাহলে বাতিল হবে ভোটের কার্ড, নির্বাচন কমিশনের নতুন প্রস্তাব

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : প‌্যান কার্ডের পর এবার ভোটার পরিচয়পত্রের সঙ্গে যোগ করতে হতে পারে আধার কার্ড। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, নির্বাচন কমিশনের এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রক মেনে নিয়েছে। তবে মন্ত্রক থেকে স্পষ্টভাবেই জানানো হয়েছে, এই প্রক্রিয়ার তথ‌্য চুরি (আধার কার্ডের গোপনীয়তা) আটকাতে পর্যাপ্ত ব‌্যবস্থা নিতে হবে।

খবরে প্রকাশ, ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড যোগে কিছু শর্ত আইনমন্ত্রক অনুমোদন করেছে। আইনমন্ত্রকের এই অনুমোদনের পর ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার যোগ করতে আইনি অধিকার পেয়ে গেল নির্বাচন কমিশন। বস্তুত, ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, এইচ এস ব্রহ্ম মুখ‌্য নির্বাচন কমিশনার থাকার সময় সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রের (এপিক) সঙ্গে আধার যোগের কাজ শুরু হয়েছিল। তবে আগস্ট মাসে সুপ্রিম কোর্ট গণবণ্টন ব‌্যবস্থা, এলপিজি এবং কেরোসিন সরবরাহ ব‌্যবস্থায় আধার ব‌্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারির পর সেই কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যদিও ততদিনে কমিশন ৩৮ কোটি ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার সংযুক্তি সেরে ফেলেছিল।

এখন ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্তিকরণের ক্ষেত্রে কয়েকটি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিয়েছে আইন মন্ত্রক। মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হওয়া আটকাতেই এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বলে জানানো হয়েছে। আইনমন্ত্রকের নির্দেশের জবাবে কী কী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বন করা হচ্ছে, ইতিমধ্যেই তা জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইলেকটোরাল রোল ডেটাবেস কোনওভাবেই আধার ইকোসিস্টেমের মধ্যে প্রবেশ করবে না বলেও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনও।

গত বছর কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রককে লেখা একটি চিঠিতে নির্বাচন কমিশন জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫০ এবং আধার আইন ২০১৬-তে কয়েকটি সংশোধনীর প্রস্তাব করে। এই সংশোধনী কার্যকর হলে নির্বাচনী আধিকারিক ভোটার তালিকায় নতুন নাম তোলা বা ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের আধার নম্বর চাইতে পারেন। তবে কেউ তাঁর আধার নম্বর বলতে না পারলেও ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে তা বাধা হবে না। আধার নম্বর না থাকলেও ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম বাদ যাবে না বলেও জানানো হয়েছে। আধার তথ্য সংগ্রহ করে অবৈধ ভোটারদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।