আমফানের বর্ষপূর্তির সময়ই দানা বাঁধছে নতুন ঝড় তৌকতাই !

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক: গত বছর ঠিক এই সময়ই বঙ্গোপসাগরে জন্ম নিয়ে নিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় আমফান (Cyclone Amphan)। এর পর তা ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে প্রবল থেকে অতিপ্রবল হয়ে সুপার সাইক্লোন হয়ে এগিয়ে আসে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে। তার পর কিছুটা শক্তিক্ষয় করে প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে আছড়ে পড়ে রাজ্যে। তছনছ হয়ে যায় কলকাতা-সহ রাজ্যের একটা বড়ো অংশই।

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের বর্ষপূর্তিতে এ বার আরব সাগরে দানা বাঁধছে নতুন একটি ঝড়। গুজরাত উপকূলের দিকে ওই ঘূর্ণিঝড়টির পাখির চোখ রয়েছে। শেষ মুহূর্তে নাটকীয় কোনো পরিবর্তন না হলে সামনের সপ্তাহে মঙ্গলবার বা বুধবার সেটি গুজরাতে আছড়ে পড়তে পারে।

ইতিমধ্যেই লাক্ষাদ্বীপ সাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়ে গিয়েছে। শনিবারের মধ্যে সেই গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ওই দিনই ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়ে নিতে পারে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের মতে, প্রথমে সে কিছুটা উত্তর-উত্তরপূর্ব দিক অর্থাৎ কর্নাটক-কেরল উপকূলের দিকে এগিয়ে যাবে। তার পরেই অভিমুখ বদল করে উত্তর-উত্তরপশ্চিমমুখী হবে সে।

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের যে তালিকা রয়েছে, সেই অনুযায়ী এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে তৌকতায় (Cyclone Tuktae)। এই নামটি মায়ানমারের দেওয়া। আবহাওয়া দফতরের প্রাথমিক অনুমান এই ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পশ্চিম উপকূল বরাবর এগিয়ে ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করবে। ১৮ মে, অর্থাৎ মঙ্গলবার এটি গুজরাত উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

তবে ঘূর্ণিঝড়টি কোথায় আঘাত হানবে বা আঘাত হানার সময়ে তার শক্তি কেমন থাকবে সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে এর প্রভাবে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় কেরল, শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত কর্নাটক উপকূল এবং রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত মহারাষ্ট্র আর গোয়া উপকূলের ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা দেওয়া রয়েছে। ঝড়টি গুজরাতের কাছাকাছি পৌঁছে গেলে মঙ্গলবার থেকে সেখানে বৃষ্টির দাপট বাড়বে।