বিএসএফ এর এক জওয়ান গুলি করে মেরে ফেলল অপর দুই জওয়ানকে

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : বিএসএফ এর এক জওয়ান গুলি করে মেরে ফেলল অপর দুই জওয়ানকে। আজ ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ভাতুন গ্রামপঞ্চায়েতের বিএসএফ এর ১৪৬ নম্বর ব্যাটালিয়নের মালদাখন্ড সীমান্ত চৌকিতে।

অভিযুক্ত জওয়ান উত্তম সূত্রধর নিজেই সীমান্ত চৌকির কমান্ডারের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ এর মালদাখন্ড সীমান্ত চৌকিতে।

গুলিবিদ্ধ মৃত বিএসএফ এর ইন্সপেক্টর মহিন্দর সিং ভাট্টি ও কনস্টেবল অনুজ কুমারের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ থানার ভাতুন গ্রামপঞ্চায়েতের ভারত- বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার মালদাখন্ড সীমান্ত চৌকির বর্ডার রোডে প্রহরার কাজে যুক্ত ছিলেন বিএসএফ এর ইন্সপেক্টর মহিন্দর সিং ভাট্টি, কনস্টেবল অনুজ কুমার এবং বিএসএফ জওয়ান উত্তম সূত্রধর। সোমবার রাতে তারা সীমান্ত প্রহরায় ছিলেন। মঙ্গলবার ভোররাতে সাড়ে তিনটে নাগাদ আচমকাই বিএসএফ জওয়ান উত্তম সূত্রধর তার স্বয়ংক্রিয় রাইফেল থেকে অপর দুজনকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে।

সীমান্তেই ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় বিএসএফ ইন্সপেক্টর মহিন্দর সিং ভাট্টি ও কনস্টেবল অনুজ কুমারের। এরপর নিজেই মালদাখন্ড সীমান্ত চৌকির কমান্ডারের কাছে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন ঘাতক বিএসএফ জওয়ান উত্তম সূত্রধর। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে মালদাখন্ড সীমান্তচৌকি এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ ও বিএসএফ এর কর্তারা। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত বিএসএফ জওয়ান উত্তম সূত্রধর কে রায়গঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ।

রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমার জানিয়েছেন, রায়গঞ্জ থানার বিএসএফ এর ১৪৬ নম্বর ব্যাটালিয়নের মালদাখন্ড সীমান্ত চৌকির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ জওয়ানদের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।