Ad
দক্ষিণ দিনাজপুর

ইনভার্টার বিকল, মোমবাতি জ্বালিয়ে চিকিৎসা চলছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

হরিশ্চন্দ্রপুর : স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ইনভার্টার থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। এর ফলে লোডশেডিং কিংবা ঝড় বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে মোমবাতি জ্বালিয়ে চিকিৎসার পরিসেবা চলছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার ভালুকা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এই স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে চিকিৎসার পরিসেবা নিয়মিত পাওয়া গেলেও রাত্রেবেলা বিদ্যুতের অনুপস্থিতিতে প্রায় অন্ধকার অবস্থায় থাকতে হচ্ছে রোগী,রোগীর পরিবারের লোকেদের এমনকি চিকিৎসক স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রায় অন্ধকারেই স্বল্প আলোতে চিকিৎসার পরিসেবা চালাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ।

Ad

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি অবিলম্বে এই ১০ শয্যা বিশিষ্ট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জেনাটার বসানো হোক। তাহলে এই সমস্যার সমাধান ঘটবে।

এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বি এম ও এইচ ডক্টর সাগর বসাক জানিয়েছেন ওই হাসপাতালের ইনভার্টার এর একটি ছোটখাট সমস্যা হয়েছে। যেটা আমরা খুব তাড়াতাড়ি সারিয়ে তুলব।

 এলাকার এক স্থানীয় বাসিন্দা তথা আলিগড় ইউনিভার্সিটি ছাত্র শহিদুল ইসলাম জানান দশ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল অথছ নেই জেনারেটরের ব্যবস্থা। কারেন্ট না থাকলেই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের অন্তর্গত ভালুকা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র।

ঝড়-বৃষ্টি হোক বা লোডশেডিং সন্ধ্যা নামলেই প্রতিনিয়ত ও একই চিত্র ধরা পড়ে হাসপাতালে। তখন মোমবাতি কিংবা এমার্জেন্সি লাইট জ্বালিয়ে চিকিৎসার পরিসেবা চালাতে হচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মীদের।

 দীর্ঘসময় ধরে হাসপাতাল চত্বরে আলো ও বাতাসের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে রোগী ও তাঁদের আত্মীয়স্বজন থেকে নিয়ে সাধারন জনগনের মধ্যে।

এই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভালুকা ,হাতি ছাপা ,জগন্নাথপুর, ফতেপুর, বর্নাহি ছাড়াও এলাকার আরো বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ চিকিৎসা করাতে আসে।

চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া গেলেও রাত্রেবেলা বিদ্যুৎ না থাকলে দূর্ভোগে পড়েছে এলাকার বাসিন্দারা। অবিলম্বে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জেনারেটর বসাক স্বাস্থ্য দপ্তর।আমরা চাই অবিলম্বে এ সমস্যার সমাধান হোক।

এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর দু’নম্বর ব্লক রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তজমুল হোসেন জানান ভালুকা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিদ্যুৎ জনিত অন্যান্য সমস্যা নিয়ে আমি মুখ্যমন্ত্রীর নিকট দাবী পেশ করব।

এছাড়াও যাতে অতি দ্রুত ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বিদ্যুৎ জনিত সমস্যা মিটে যায় সেই জন্য রোগী কল্যাণ সমিতির বরাদ্দ অর্থ থেকে বিদ্যুৎ এর বিকল্প কোন ব্যবস্থা করা যায় কিনা সে বিষয়ে খতিয়ে দেখব।

এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের বি এম ও এইচ সাগর বসাক জানান ওই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইনভার্টার এ ছোটখাটো সমস্যা হয়েছে। যেটা আমরা খুব তাড়াতাড়ি সাড়িয়ে তুলব।এছাড়া বিদ্যুৎ জনিত আর কোন সমস্যা থাকলে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।

আরও পড়ুন