সৌরভ ও দেব একসঙ্গে জুটি, কোভিড রোগী ও তাঁদের পরিবারের খাওয়াবেন ‘বিনামূল্যে’

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : অতিমারীর কোপে বিধ্বস্ত জনজীবন। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিনোদুনিয়ার তারকারাও এই চরম পরিস্থিতিতে একে অপরের পাশে দাঁড়াচ্ছেন নিজেদের সাধ্যমতো। কেউ অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে মুমূর্ষু রোগীর বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন তো কেউ বা আবার কোভিড আক্রান্ত পরিবারগুলির মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন।

আবার আর্থিক অনুদানেও কেউ বা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এমতাবস্থায় করোনায় আক্রান্ত পরিবারগুলির মুখে অন্ন তুলে দিতে একযোগে এগিয়ে এলেন বাংলার দুই তারকা- সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly) এবং দেব (Dev)। কলকাতা শহর থেকে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতেও কোভিড রোগীরা এই পরিষেবা পাবেন। তাঁদের যৌথ উদ্যোগে এবার খাবার পৌঁছে যাবে কোভিড পজিটিভদের পরিবারে।

লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন ‘ঘরের ছেলে’ দেব (Dev)। করোনা কালেও নিজের এলাকার বাসিন্দাদের পাশে আছেন তিনি। করোনা মোকাবিলায় ঘাটালে (Ghatal) ইতিমধ্যেই সেফ হোম তৈরি করেছেন অভিনেতা। নিজের ডেবরার অফিসটিকে আইসোলেশন সেন্টারে রূপান্তরিত করেছেন। চালু করেছেন বিশেষ হেল্পলাইন নম্বরও। কমিউনিটি কিচেনও শুরু করেছেন।

আবার ঘাটালের করোনা রোগীদের বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগও নিয়েছেন। কলকাতায় নিজের টলি টেলস রেস্তরাঁ থেকেও করোনা রোগীদের বিনামূল্যে খাবার সরবরাহ করছেন দেব। সম্প্রতি আবার করোনায় মৃতদেহ সৎকারের জন্য ঘাটালের লোকালয় থেকে দূরে শ্মশান তৈরি করার কাজ শুরু করেছেন। একইভাবে নিজের ব্যস্ত শিডিউল থেকে সময় বের করে সাধারণের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সৌরভও। ৫০টি অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর কিনে রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে পৌঁছে দিচ্ছেন বিসিসিআই সভাপতি।

এবার জানা যাচ্ছে, সৌরভ ও দেব একসঙ্গে কোভিড রোগীদের পরিবারের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। এনিয়ে দেব জানান, “দাদার (সৌরভ) টিমের তরফে কয়েকজন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। আমাদের মতোই ঘাটালে কোভিড আক্রান্তদের পরিবারকে খাবার দিয়ে সাহায্য করতে চায় দাদার টিমও।

আমরা তো আগে থেকেই ঘাটালের পাশাপাশি কলকাতাতেও কোভিড রোগীদের বাড়ি খাবার পৌঁছে দিচ্ছিলাম। তাই যখন প্রস্তাবটা পেলাম, একবারেই রাজি হয়ে যাই। এনিয়ে চূড়ান্ত কথাবার্তাও হয়ে গিয়েছে।” এরপরই যোগ করেন, “এই কঠিন সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোটা খুব দরকার। দেব না সৌরভ গাঙ্গুলি, সেটা বড় কথা নয়। সবাই একসঙ্গে লড়লে তবেই অতিমারীর বিরুদ্ধে জেতা যাবে।”