কিছুটা কমল সংক্রমণ, আক্রান্তের সংখ্যা নামল সাড়ে ৩ লক্ষের নিচে

দিল্লি , ১১ মেঃ ফের কমল সংক্রমণ। পরপর ২ দিন ৪ লক্ষের কম মানুষ আক্রান্ত হলেন দেশে। সোমবারের পর মঙ্গলবারের রিপোর্টও বলছে এদিনও কমেছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। সোমবারের তুলনাতেও মঙ্গলবারের আক্রান্তের সংখ্যা বেশ কিছুটা কম। ৩৫ লক্ষেরও বেশি আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে মঙ্গলবার।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গোটা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৯৪২ জন। সোমবারের তুলনায় অনেকটাই কম আক্রান্তের সংখ্যা। সোমবার ৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ১৬১ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে সোমবারের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা এদিন কিছুটা বেড়েছে। সোমবারের রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে ৩ হাজার ৭৫৪ জের মৃত্যু হয়েছিল। মঙ্গলবারের রিপোর্ট বলছে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৮৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে দেশে।

এদিন দৈনিক সুস্থতার হার গতকালের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। সোমবার যেখানে ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮১৮ জন সুস্থ হয়েছিলেন সেখানে মঙ্গলবার ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। এই মুহূর্তে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ২৯ লক্ষ ৯২ হাজার ৫১৭ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ লক্ষ ১৫ হাজার ২২১ জন।

এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৯০ লক্ষ ২৭ হাজার ৩০৪ জন। দেশের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯৯২ জনের। মোট ১৭ কোটি ২৭ লক্ষ ১০ হাজার ৬৬ জনকে এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

দেশে টিকাকরণের প্রথম দফায় ২ কোটি ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার ও ১ কোটি স্বাস্থ্যকর্মীকে এবং দ্বিতীয় দফায় ২৭ কোটি সিনিয়র সিটিজেনকে দেওয়া হচ্ছে টিকার ডাবল ডোজ। এরই মধ্যে শোনা গিয়েছে দেশজুড়ে টিকার আকাল তৈরি হয়েছে। ফলে এই ৩০ কোটি মানুষকেও টিকা দেওয়া সম্ভবপর হচ্ছে না।

মাত্র ১০ শতাংশকে এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া গিয়েছে। তবে মনে করা হচ্ছে ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া ২০২১ সালের জুলাইয়ের শেষের দিকে ভারত তার লক্ষ্যমাত্রার ২৫ শতাংশে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভ্যাকসিনের ঘাটতির কারণে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে প্রতি দিন ভ্যাকসিনেশন ৩৫ লক্ষ থেকে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ২১ লক্ষে নেমে আসে। মে মাসে দৈনিক গড় আরও কমিয়ে প্রতিদিন ১৬ লক্ষ ডোজ দেওয়া হয়। তবে কোভাক্সিন উৎপাদন বাড়িয়েছে।

এপ্রিলে ২ কোটি ডোজ প্রস্তুত হয়েছে। জুনের মধ্য়ে সাড়ে ৩.৫ কোটি ডোজ আরও তৈরি হবে। কোভিশিল্ড জুলাইয়ের মধ্যে ১০ কোটি শট উৎপাদন করবে বলে আশা। তারই মধ্যে, রাশিয়ার সিঙ্গল ডোজ ভ্যাকসিন স্পুটনিক এসে পৌঁছেছে। তবে জুন পর্যন্ত এটি পাওয়া যাবে না।