ফের বেড়ে চলছে করোনা সংক্রমণ, নতুন করে আক্রান্ত ৩৯

ইউবিজি নিউজ ডেস্ক : চরিত্র বদলে ‘আবার সে এসেছে ফিরিয়া’। আরও একবার দেশজুড়ে বেড়ে চলছে করোনা সংক্রমণ। পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চিন্তায় কেন্দ্রীয় সরকার। করোনা ভ্যাকসিন আসার পর কিছুটা কমেছিল করোনা আক্রান্তের গ্রাফ। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।

দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায় নতুন করে সেখানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ জন বলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী জানা যাচ্ছে।ইতিমধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১৪ জন , পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২৫ জন ও ঝাড়গ্রাম জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ জন । তবে এই ৩ জেলায় বেড়ে চলা করোনা গ্রাফ কমাতে নতুন করে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে প্রশাসন। তবে এরাজ‍্যে ভোট শুরু হওয়ায় সংক্রমণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জেলা টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে এও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের এইচডিইউ ও এসএআরআই ইউনিট চালু করা হয়েছে। আর সেখানে এই মুহূর্তে ৩০ টি শয্যা থাকলেও, দ্রুত ওই বিভাগে ১০০ টি শয্যার জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি (মহকুমা হাসপাতাল) ও খড়্গপুর মহাকুমা হাসপাতালের কোভিড বিভাগ গুলিও শুরু করা হচ্ছে।

এছাড়া আয়ুশ হাসপাতাল ও চালু করা হবে। আপাতত এটিকে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, ভিন রাজ্য থেকে আসা শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের জন্য নাকা চেকিং ফের শুরু করা হবে। সেক্ষেত্রে, বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থাও চালু করা হতে পারে বলে জানা গেছে প্রশাসন সূত্রে। বৈঠকের পর জেলাশাসক ডঃ রশ্মি বলেন, “জেলায় করোনা নমুনা সংগ্রহ আরও বাড়ানো হচ্ছে।

তবে করোনার প্রভাব ফিরে আসেতেই সদা সতর্ক স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ বালিকা বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। বুধবার নোটিস দিয়ে স্কুল আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এক স্কুলকর্মী ও তাঁর পরিবারের করোনা সংক্রমণের খবর পেয়ে স্কুল বন্ধ রাখার নোটিস দিল কর্তৃপক্ষ।