Ad
কোচবিহার

দিনহাটা উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী অশোক মণ্ডলের হয়ে প্রচার করতে আসামের ২ বিধায়ক

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

দিনহাটা উপনির্বাচনে একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা-নেত্রীদের সমাগম অন্যদিকে সাদামাটা ভাবে মানুষের দোরগোড়ায় প্রচার চালাচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী অশোক মন্ডল।

শনিবার তার প্রচারে পা মেলালেন আসামের 2 বিধায়ক। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জেপি নাডা এর নির্দেশে দিনহাটায় প্রচারে ইনচার্জ হয়ে এসেছেন তারা। আসামের পাথর কান্দি বিধানসভার বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পাল এবং লক্ষ্মীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কৌশিক রায়। প্রচার এর শেষ দিন পর্যন্ত তারা অশোক মন্ডল এর সাথে থাকবেন বলে জানা গেছে।

Ad

আগামী 30 শে অক্টোবর দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। প্রচার ব্যানার বিহীন প্রচার একাই চালিয়ে যাচ্ছিলেন অশোকবাবু।

বারংবার তিনি বাধার সম্মুখীন হয়েছেন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের, তার পরেও তাকে দমতে দেখা যায়নি। তিনি বলছেন, 2006 সালে প্রথম যখন উত্তরবঙ্গে একমাত্র আসনে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করেছিল তখনও বামফ্রন্ট প্রার্থী উদয়ন গুহ তাকে প্রচার করতে দেয়নি। বারংবার বাধা দিয়েছে, তার কোন ব্যানার-পোস্টার পতাকা লাগাতে দেয়নি, 2021 দিনহাটা উপনির্বাচনেও ঠিক একই রকম বাধা সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাকে।

পার্থক্য শুধু একটাই এখন তিনি বিজেপিতে এবং উদয়ন গুহ তৃণমূলে। বালুরঘাট তিনি ঘুরে এসেছেন শান্তির কথা। অশান্ত এবং বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক উত্তাপে উত্তপ্ত দিনহাটা কে শান্ত করার বার্তা নিয়ে তিনি আজও মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছেন সকাল সকাল। তার দাবি মানুষের সাড়া পাচ্ছেন ব্যাপক। দিনহাটা ভেটাগুড়ি এলাকায় এদিন সকাল থেকে প্রচার শুরু করেন তিনি। এরপর দফায় দফায় তার প্রচার চলে শহর এবং অন্যান্য অঞ্চলগুলিতে।

এদিন তার সাথে বিধায়ক মিহির গোস্বামী, মালতি রাভা রায় এবং সুশীল বর্মন ছিলেন। সঙ্গে ছিল বিরাট কেন্দ্রীয় বাহিনীর রক্ষণাবেক্ষণ।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে কার্যত তাকে প্রচার চালাতে হচ্ছে। তার দাবি মানুষ যদি তার নিজের মতামত প্রকাশ করার স্বাধীনতা পায় তাহলে অবশ্যই 2006 এর পুনরাবৃত্তি ঘটবে।

আরও পড়ুন