তৃণমূল কংগ্রেসের জনসংযোগ কর্মসূচিতে মানুষের ঢল, কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ইউবিজি নিউজ, কোচবিহার : কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামী ইতিমধ্যেই বিজেপিতে যোগদান করেছেন। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠে এলো তৃণমূল কংগ্রেসের জনসংযোগ কর্মসূচিতে।

বুধবার কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের মোয়ামারী অঞ্চলে জনসংযোগ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল জলিল আহমেদ। তার সামনেই বিধায়ক এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন সাধারণ মানুষ।

জলিল বাবু জানান, বিগত পাঁচ বছরে বিধায়ক একবারও এলাকায় আসেন নি। এমনকি বিধায়কের কিছু কাছের মানুষ সাধারণ গ্রামবাসীকে বিভিন্নভাবে হেনস্থা করেছেন এই রকম অভিযোগ উঠে এসেছে বারবার। বর্তমানে কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের সাংগঠনিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন জলিল আহমেদ।

বুধবার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলার জন্য জলিল বাবু দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক এলাকায় গিয়েছিলেন। তার সাথে কথা বলার জন্য প্রচুর মানুষ একত্রিত হয়।

অভিযোগ বিধায়ক তাদের হয়ে কোন কাজ করেননি। বিধায়ক তাদের বঞ্চিত করেছেন।কাঁধে ভর করে জয়লাভ করেছিলেন মিহির গোস্বামী। তার পরেও সাধারণ মানুষের কোন কাজ করে দেননি মিহির বাবু।কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক এলাকায় প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসকে।

জলিল বাবু বলেন আমরা তৃনমূল কংগ্রেসের উন্নয়নের প্রচার করছি। সাধারণ মানুষ আমাদের সাথে রয়েছে। মানুষের ক্ষোভ অবশ্যই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নয়। বিশ্বাসঘাতক মিহির গোস্বামীর বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন গ্রামে সাধারন মানুষের অনেক উপকারে এসেছে।বিশেষ করে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ৯০ শতাংশ মানুষ আওতাভুক্ত। গ্রামের ছেলে মেয়েরা শিক্ষাক্ষেত্রে জেলা থেকে পড়াশোনা করতে পারছে।উন্নয়নের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কারণেই আমরা গ্রামে প্রচার চালাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প সফলতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রিপোর্ট কার্ড আমরা পৌছে দিচ্ছি মানুষের কাছে। ২০২১এর বিধানসভা নির্বাচনে এটাই হবে আমাদের অন্যতম প্রধান বিষয়।