কোচবিহার জেলার সাতমাইল সংলগ্ন কাটামারি ও বাঘমারা গ্রামে বাঘের আতঙ্ক, হামলায় আহত পুলিশকর্মী

কোচবিহার, ৪ মার্চঃ গ্রামের নাম বাঘমারা। কোচবিহার ১ নম্বর ব্লকের শালটিয়া নদীর ধারের সেই গ্রাম নিয়ে বাঘ মারা কাহিনীর কথা কথিত রয়েছে। সে অনেক প্রাচীন কালের কথা। তারপর বহুকাল কেটে গিয়েছে, সেখানে কোন বাঘের হদিস মেলে নি। এবার সেই গ্রামেই হাজির চিতা বাঘ।

আজ সকাল থেকে শালটিয়ার নদীর ধার ধরে বাঘ মারা কাটামারি গ্রাম দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ওই চিতা বাঘটি। সেই চিতা বাঘটিকে দেখতে জমা হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। খবর পেয়ে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ সেখানে গেলে চিতার থাবায় আহত হয়েছে এক পুলিশ কর্মীও। এরপর সেখানে খাঁচা নিয়ে হাজির হয়েছে বনদফতরের লোকজনও।

গতকালই কোচবিহার শহর লাগোয়া পশ্চিম ঘুঘুমারি ফাঁসিরঘাট এলাকায় বাইসন বের হয়েছিল। বাইসনের হামলায় দুটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন দুজন। পরে ঘুম পাড়ানি ইঞ্জেকশন দিয়ে একটি বাইসনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছিল বন দফতর। ওই ঘটনার একদিন বাদেই আবার চিতা বাঘ বের হওয়ার ঘটনা ঘটল কোচবিহারে।

সামান্য দূরেই সোনাপুর এলাকায় পাতলাখাওয়ার জঙ্গল, তারপরেই চিলাপাতা। এই সময় জঙ্গলের ভিতরে খাদ্য সঙ্কট দেখা দেয়। আর সেই কারণেই বন্যপ্রাণী জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসে। মূলত তোর্সা নদীর পাড় ধরে কোচবিহারের দিকে চলে আসে বন্যপ্রাণীরা। বন দফতরের আধিকারিকরা মনে করছেন বাইসনের মত চিতা বাঘটিও পাতলাখাওয়ার জঙ্গল থেকে তোর্সা নদীর পাড় ধরে লোকালয়ে চলে এসেছে।