Ad
কোচবিহার

কোচবিহারে অজানা জ্বরে প্রতিদিনই বাড়ছে শিশু আক্রান্তের সংখ্যা, শিশুদের অবস্থা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পার্থ প্রতিম রায়

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

অজানা জ্বরে প্রতিদিনই বাড়ছে শিশু আক্রান্তের সংখ্যা। শিশুদের আক্রান্তের সংখ্যা দিনের পর দিন বেড়ে যাওযায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন কোচবিহার পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান পার্থ প্রতিম রায়। তাই তিনি শিশুদের অবস্থা এবং হাসপাতালে পরিকাঠামো বিষয় খতিয়ে দেখতে সোমবার এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন।

এসেই তিনি এমএসভিপি রাজীব প্রসাদের সাথে কথা বলে। এরপর তিনি ও এমএসভিপি দুজনেই কারমাইকেল ওয়ার্ডে যান যেখানে আরো নতুন ৩০টি শিশুবেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে তা পূর্ণাঙ্গ খতিয়ে দেখেন।

Ad

এ বিষয়ে পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় বলেন, অজানা জ্বরের কথা শুনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলাম। এরপর আমি এমএসভিপি রাজীব প্রসাদের সাথে কথা বলার পর উনি জানান এটা একটি সিজিনাল জ্বর প্রতিবছরই এমন সময় রোগীর সংখ্যা বাড়ে তবে এ বছর একটু বেশি বেড়েছে এতে উদ্বেগের কোন কারণ নেই।

এই বিষয়ে এমজেএন হসপিটালের এমএসভিপি রাজীব প্রসাদ জানান, প্রতিবছরই সেপ্টেম্বর মাসের দিকে এই সিজিনাল জ্বরের সংখ্যা বাড়ে তবে এবার একটু বেশি বেড়েছে এতে উদ্বেগের কোন কারণ নেই। গত বছর আমরা একটু বেশি প্রোটেক্টেড ছিলাম তাই এই জ্বরটা একটু কম ছিল। বর্তমানে আমরা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি মেলামেশা করছি তাতেই এই জ্বরে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেশি হয়েছে। এতে উদ্বেগের কোন কারণ নেই।
যেসব শিশু ভর্তি হচ্ছে তাদের প্রত্যেককে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু সহ সিটি স্ক্যান এমআরআই যখন যা দরকার তা করা হচ্ছে। প্রত্যেক বাচ্চার অভিভাবকদের বলা হচ্ছে শিশুদের আরো বেশি সতর্কতার সাথে রাখতে হবে। এবং প্রত্যেক বাচ্চাকেই মাস্ক ব্যবহার করাতে হবে।

বর্তমান পরিস্থিতি যখন কোভিডের তৃতীয় ঢেউ প্রসঙ্গে বারবার বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে বলা হচ্ছে তাতে প্রতিটি শিশুর অভিভাবকই এই সিজিনাল জ্বর নিয়ে একটু বেশি চিন্তিত। তবে স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তারা সিজিনাল জ্বর প্রসঙ্গে অভিভাবকদের অবগত করছেন। এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে আতঙ্কগ্রস্ত হতে মানা করে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন