Ad
কোচবিহার

উদ্ধার তোর্ষা নদীতে তলিয়ে যাওয়া ৭ বছরের শিশু,৪৮ ঘণ্টা বাদে উদ্ধার হয় দেহ

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

ইউবিজি নিউজ : দাদু বাড়িতে এসে নদীতে তলিয়ে যায় ৭ বছরের এক শিশু। ঘটনাটি ঘটে রাজারহাট রেল ব্রিজ এলাকায়।

আজ সোমবার উদ্ধার হল তোর্ষায় তলিয়ে যাওয়া শিশুর দেহ। কোচবিহার-২ ব্লকের মধুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তোর্ষা তীরবর্তী কালপানিতে শনিবার দুপুরে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যায় সে।

Ad

পরে ঘটনাস্থলে পুণ্ডিবাড়ি থানার পুলিশ পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে কোচবিহার সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, তলিয়ে যাওয়া ওই শিশুটির নাম আরমান মিয়াঁ। শনিবার বেলা ১ টা নাগাদ দিদার সাথে নদীতে স্নান করতে গিয়ে ছিল ওই শিশুটি। স্নান শেষে নদী থেকে উঠে পড়েছিল। কিন্তু আবারও নদীতে নামতে গেলে ওই শিশুটি নদীতে তলিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পরে পাশে থাকা অপর শিশুটি চিৎকার করলেও কেউ তার চিৎকার শুনতে পায় নি। তাই নদীতে তলিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাতে পরে নি। পরে শনিবার অন্ধকার হওয়া অব্বদি খোঁজা খুঁজি করলেও ওই শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। তার পর রবিবার সকালে আবারও পুলিশ প্রশাসন, বিডিও, প্রধান, পঞ্চায়েত সকলের সহযোগিতায় নদীতে ডুবুরী নামিয়ে তল্লাশি শুরু করা হয়।

এদিন ডুবে যাওয়া ওই শিশুটির দাদু জানান, শনিবার বেলা ১ টা নাগাদ ওই শিশুটি তার দিদা ও অন্য এক শিশুকে সাথে নিয়ে নদীতে স্নান করতে গিয়েছিল। স্নান করে ফিরে আসার সময় ওই শিশুটি আবারও নদীতে নামলে সে তখন তলিয়ে যায়। তারপর অন্য শিশুটি চিৎকার করলেও ওই শিশুটিকে তলিয়ে যাওয়ার হাত থেকে আটকানো যায় নি।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে শনিবার বিকেল ও রবিবার দিনভর স্পীড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তরফে। দু’দিন তল্লাশির পর শেষ পর্যন্ত এদিন দুপুরে মালতিগুড়ি চরে শিশুর দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর চাউর হতেই নদীর চরে ভিড় জমান কৌতূহলী মানুষেরা। ঘটনাস্থলে শিশুর পরিবারের লোকজন গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন