Ad
কোচবিহার

পূজার আগে বকেয়া বেতন না মেলায় কোভিড ওয়ার্ডের কাজ বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভে বসলো কোচবিহার এম জে এন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীরা

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

কোচবিহার: ফের বিকেল থেকে দুমাসের বেতন না মেলায় বিক্ষোভ দেখাল কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডের অস্থায়ী কর্মীরা।

কোভিড ওয়ার্ডের ওই অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে হাসপাতাল চত্বরে। ওই কর্মীদের অভিযোগ, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করার পরেও দুমাসের বেতন বকেয়া হয়ে রয়েছে। এটা তিন নম্বর মাস চলছে। বেতন না মেলায় তাঁদের পরিবার পরিজন নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তেমনি আবার কোভিড ওয়েডে কাজ করার জন্য প্রতি বেশীদের কাছেও দূর ছাই কথা শুনতে হচ্ছে।

Ad

আন্দোলনকারী পক্ষে যমুনা দাস বলেন, “মেডিক্যাল কলেজে কোভিড ওয়ার্ড করার পর মাসিক দশহাজার টাকা বেতনে অস্থায়ী ভাবে আমাদের নিয়োগ করা হয়। প্রথম মাসে পূর্ণ মাস কাজ না হওয়ায় ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। সেটাও আমরা মেনে নিয়েছি। কিন্তু দুমাস ধরে আমাদের বেতন দেওয়া হচ্ছে না। এটা তিন নম্বর মাস চলছে। এই অবস্থায় আমাদের পরিবার নিয়ে একরকম না খেয়েই কাজ করতে হচ্ছে। দোকান থেকেও আর বাকি দিচ্ছে না। এই দিকে পূজাও চলে এসেছে। দুদিন আগেও একই ভাবে বিক্ষোভ দেখলে আমাদের বলা হয় পরের দিনই বেতন দিয়ে দেওয়া হবে।

কিন্তু আজ যখন বেতন চাইতে এম এস ভি পি স্যার কাছে যাই উনি বলেন প্রিন্সিপাল স্যার এর সাথে কথা বলতে। ওখানে গেলে উনি আমাদের বলেন আমরা যে হাসপাতালে অস্থায়ী কর্মী তা উনি জানেন না। তাই কথাও বলবেন না। অবশেষে বাধ্য হয়ে আমরা বিক্ষোভ এ বসলাম যতক্ষন না আমাদের পূজার বোনাস সহ বকেয়া দুই মাসের বেতন দেবেন ততক্ষণ কোনো রকম পরিশেবা মারা দিবো না। এমন কি নুতুন লোক কেও কাজ করতে দেব না।

এ বিষয়ে ফোনে এম এস ভি পি কে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বিল পাঠানো হয়েছে। প্রিন্সিপালের বিল পাশ হলেই তাদের টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে।

কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখানতে চিন্তায় পড়েছে কোভিড ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা রোগীর পরিবারের লোক জন। এক রোগীর পরিবারের লোক বলেন ওনারা কাজ না করলে আমার বাবার কি হবে। কতটা চিন্তা হচ্ছে বলে বোঝাতে পারব না।

আরও পড়ুন