আগামীকাল শিতলকুচিতে আসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

UBG NEWS: শীতলকুচির ঘটনায় আগেই দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আজ বনগাঁর জনসভা থেকে মমতা জানিয়েছেন, ‘ আজ সমস্ত জনসভা করে, উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা দেব। আগামীকাল ওই বুথে সকাল দশটায় যাব। আর এই ঘটনায় ঘটিয়েছে সিআরপিএফ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করছি। আগামীকাল তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত নেতা কিংবা কর্মীরা দুপুর ২ টা থেকে ৪ পর্যন্ত হাতে কালো ব্যাজ পরে অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি জানিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ করবেন।’

এদিন সকাল থেকেই শীতলকুচির বিধানসভায় একাধিক অশান্তির খবর আসে। সকালেই ভোটকেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গুলিতে নিহত হন এক ১৮ যুবক।

তারপর শীতলকুচির ১২৬ নম্বর আমতলি বুথের বাইরে অশান্তির জেরে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। আচমকাই গুলি  সিআইএসএফ এর গুলি চালানোর ঘটনায় মৃত্যু চার ব্যক্তির। এলাকাবাসীর দাবি বিনা প্ররোচনায় ভোটারদের লক্ষ্য করে গুলি করে। এই ঘটনায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কমিশন সূত্রে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, প্রত্যেকেই তৃণমূল কর্মী। বিজেপির বিরুদ্ধে বাহিনীকে কন্ট্রোল করার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। যদিও এই ঘটনায় তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক। তার দাবি, মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জন্য হয়েছে। উনি বলেছিলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে রাখুন, মারধর করুন। যার জন্য কিছু শ্রেণীর লোক, বোম নিয়ে তেরে যাচ্ছে। তাই এই ঘটনা ঘটেছে।

শীতলকুচির ঘটনায় কমিশনে রিপোর্ট দিয়ে পুলিশ পর্যবেক্ষক জানিয়েছেন, ‘ ওই বুথে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে অশান্তি হচ্ছিল। দুই পক্ষের হাতাহাতিতে আক্রান্ত হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুথে ঢুকে ইভিএম ভাঙচুর, হোম গার্ড কে আক্রমন করে কিছু এলাকাবাসী। সেই সময় অশান্তি থামাতে গেলে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে ঝামেলা হয়। তাই আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।’ এই ঘটনায় চারজন তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।