Ad
কোচবিহার

ফের দিনহাটায় দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেন বিজেপির দুই বিধায়ক, অভিযুক্ত তৃণমূল

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

দিনহাটা, ২৩ অক্টোবরঃ ফের দিনহাটায় দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেন বিজেপির দুই বিধায়ক। আজ কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে ও আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল দিনহাটার বাসন্তীর হাট ও খট্টিমারি এলাকায় প্রচার করতে যান।

প্রথমেই তাঁরা বাসন্তীর হাট এলাকায় স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতির ছেলের বাধার মুখে পড়েন বলে বিজেপির দুই বিধায়কের অভিযোগ। সেখানে কথা কাটাকাটি শুরু হলে পুলিশি তৎপরতা ও দুই বিধায়কের নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষীদের সহযোগিতায় তাঁরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। এরপর খট্টিমারি বাজারে প্রচার করতে আসলে সেখানেও বাধার মুখে পড়েন বলে অভিযোগ।

Ad

বিজেপি বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে অভিযোগ করে বলেন, “বাসন্তীর হাটে সেখানকার তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির ছেলের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। পুলিশ ও আমাদের নিরাপত্তা রক্ষীদের সহযোগিতায় বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। এরপর খট্টিমারি বাজারে এসেও একই অবস্থায় পড়তে হয়েছে। আমাদের দলীয় পতাকা পোস্টার ব্যানার লাগানো হলে তা খুলে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। প্রচারে বাধা দেওয়া হয়েছে। ফলে এখানে যে গণতন্ত্র নেই, সেটা স্পষ্ট। আর এর বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই জারি থাকবে।”

অন্যদিকে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বরা বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, এদিন বিজেপির দুই বিধায়ক বাসন্তীরহাটে এসে এখানকার তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির ছেলের দোকানে দলীয় পতাকা লাগাতে যান। তখনই তাতে আপত্তি জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া কাউকে ভোট প্রচারে কোন রকম বাধা দেওয়া হয় নি।

শুধু এদিনই নয়, এর আগে বামনহাট ও নয়ারহাট এলাকায় ভোট প্রচারে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল বিজেপি প্রার্থী অশোক মণ্ডলকে। বামনহাট এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থীকে ধাক্কাধাক্কি করার অভিযোগ করা হয়। এরপর নির্বাচন কমিশনে লিখিত ভাবে অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব।

তৃণমূল নেতৃত্ব বিরোধীদের প্রচারে বাধা যাতে না দেওয়া হয়, সেজন্য দলীয় কর্মী সমর্থকদের সাবধানও করেছিলেন। কিন্তু তারপরেও দিনহাটায় পরিস্থিতির বদল হয় নি বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ওই দুই দলের মধ্যে এই চাপানোউতর ভোটের দিন এগিয়ে আসার সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকলে পুলিশ প্রশাসনকে নির্বিঘ্নে ভোট করাতে অনেক বেশী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারনা।

আরও পড়ুন