Ad
কোচবিহার

কোচবিহার শহরে একসাথে ৫ জায়গায় অভিযান চালিয়ে ৭৫ জন ব্যক্তিকে আটক করল পৌরসভা

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

কোচবিহার : এক সাথে শহরের পাঁচ জায়গায় অভিযান চালিয়ে ৭৫ জন মাস্ক হীন ব্যক্তিকে ফাইন করলো পৌরসভার কর্মীরা। কোচবিহার দাস ব্রাদার্স মোড়ে অভিযান চালান স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বিশ্বজিৎ রায় ও তার দল। এছাড়া ৪টি স্থানে পৌরসবার কর্মীরা অভিযান চালান।

প্রসঙ্গত বিভিন্নভাবে বল মানুষকে সচেতন করতে পারছেনা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার পক্ষ থেকে করোনার প্রথম সময় থেকেই মানুষকে সচেতন করার জন্য নাচ গান পথনাটক থেকে শুরু করে গোলাপ ফুল বিতরণ এমনকি মাস্ক হিন ব্যক্তিদের কেউ মাক্স দিতে দেখা গেছে প্রশাসনের কর্মীদের।

Ad

 এরপরেও মানুষ সচেতন না হয় অবশেষে ফাইন এর পদ্ধতি গ্রহণ করল কোচবিহার পৌরসভা।
বিশেষজ্ঞদের মতে পূজার পরে পরেই তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে বলে মনে করছেন তারা। তাই আগে থেকেই বাড়তি নিরাপত্তা ও মানুষকে সচেতন করতে কঠোর সিদ্ধান্ত নিল কোচবিহার পৌরসভা।

মঙ্গলবার কোচবিহার পৌরসভার পক্ষ থেকে কোচবিহার শহরের পাঁচটি জায়গায় একসাথে চেকিং চালান পৌরসভার কর্মীরা। কোচবিহার শহরের বিভিন্ন মোড়ে ও ব্যস্ততম জায়গায় নজরদারি চালিয়ে ৭৫ জন ব্যক্তি কে মাক্স ছাড়া আটক করে কোচবিহার পৌরসভার কর্মীরা। তবে এবার আটক করে শুধু মাক্স দিয়েই ছেড়ে না দিয়ে রীতিমতো ১০০ টাকা জরিমানা করেন পৌরসভার কর্মীরা।

এই বিষয়ে কোচবিহার পৌরসভার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর বিশ্বজিৎ রায় বলেন,”করোনার প্রথম সময় থেকে পৌরসভার পক্ষ থেকে ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে মানুষকে সচেতন করেছি। কিন্তু এক শ্রেণীর মানুষ কোনভাবেই সরকারি নির্দেশিকা বা করণা বিধি মানছেন না। তাদের এই বেপরোয়া পানা ডেকে নিয়ে আসতে পারে বড় বিপদ।

তাই এই সমস্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ১০০টাকা জরিমানা করা হচ্ছে। জরিমানা নেওয়াটা বড় উদ্দেশ্য নয় কিন্তু এইভাবে ফাইন না করলে হয়তো তারা ঠিক হবেন না। এরপর ফাইন দেওয়ার ভয় আশা করি তারা মাক্স ব্যবহার করবে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন ব্যবসায়ী তাদের বলে দেওয়া হয়েছে মাস্ক ছাড়া কেউ জিনিস নিতে আসলে জিনিস দেবেন না।
মূলত তৃতীয় ঢেউ রুখতেই আমরা প্রশাসনের সাথে কথা বলে চেয়ারম্যানের নির্দেশে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাচ্ছি। নিয়মিত ভাবে আমাদের এই অভিযান চলতে থাকবে।

আরও পড়ুন