Ad
কোচবিহার

কোচবিহারের দিনহাটায় তৃণমূলের উপ-প্রধানকে মারধর করে নগত টাকা ও সোনার চেন ছিনিয়ে নিয়ে পালাল দুষ্কৃতিরা, ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকায়

এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর রয়েছে

দিনহাটা, ১৬ সেপ্টেম্বরঃ তৃণমূলের উপ-প্রধানেকে মারধর করে নগত টাকা এবং সোনার চেন ছিনিয়ে নিয়ে পালাল দুষ্কৃতিরা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে দিনহাটা ১ নং ব্লকের গিতালদহের নবনি এলাকায়।

জানা যায়, বুধবার দুপুরে ওই উপ-প্রধান বিডিও অফিস থেকে কাজ সেরে বাড়ী ফেরার পথে মারধর রাস্তা আতকায় কয়েক জন দুষ্কৃতি। তারা তার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে এবং অস্ত্রসস্ত্র দেখিয়ে নগদ প্রায় ৫৪ হাজার টাকা সহ গলায় থাকা সোনার চেন ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় শোরগোল পরে গিয়েছে দিনহাটার গিতালদহে।

Ad

বুধবার দুপুরে দিনহাটা ১ নং ব্লকের গিতালদহের নবনি এলাকায় রাস্তায় আটকে উপ-প্রধানকে মারধর করে ছিনতাই করে বলে অভিযোগ। বুধবার রাতেই দিনহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন উপ-প্রধান মনছুর আলির ছেলে মাসুদ রহমান। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দিনহাটা থানার পুলিস। যদিও তৃণমূলের অন্দরের খবর গোষ্ঠী কোন্দলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরেই ওই ঘটনা ঘটেছে।

প্রসঙ্গত, মাস দেড়েক আগে সিতাই বিধানসভা এলাকার গিতালদহ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান বীথিকা রায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে আসেন দলের পঞ্চায়েত সদসরা। তিনি ব্লক সভাপতি ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এরপর তাঁকে সরিয়ে প্রধান নির্বাচিত হয় বিধায়ক ঘনিষ্ঠ মুক্তা বর্মনকে। জানা গিয়েছে, বুধবার দিনহাটা ১ নং ব্লক অফিসে গিয়ে এলাকার কয়েক জন বাসিন্দা এলাকার প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজ নিয়ে লিখিত অভিযোগ জানায়।

অভিযোগ, উপপ্রধান মনছুর আলির মদতে এলাকার বাসিন্দারা বিডিও অফিসে গিয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে। এরপর উপ-প্রধান ব্লক অফিস থেকে বাড়ী ফেরার পথে নবনি এলাকায় তাঁকে রাস্তায় আটকে মাথায় বন্ধুক ঠেকিয়ে হুমকি দিয়ে চর, থাপ্পড় দিতে থাকে দুষ্কৃতীরা। সেই সাথে তার কাছে থাকা নগদ টাকা ও সোনার চেন ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। খোদ শাসক দলের উপ প্রধানকে রাস্তায় আটকে হেনস্থার কথা জানাজানি হতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।

এরপর ঘটনার কথা জানতে পেরে দিনহাটা থানার বিশাল পুলিস বাহিনী এলাকায় ছুটে যায়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন গণ্ডগোল না হয় সেজন্য এলাকায় পুলিসি টহল চলে। রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন উপ প্রধান মনছুর আলির ছেলে।

উপ প্রধানের ছেলে বলেন, বাবা বিডিও অফিসে কাজে গিয়ে ছিল। সেখান থেকে বাড়ী ফেরার পথে গিতালদহের নবনির বটতলা এলাকায় আসতেই রাস্তা আটকে ধরে কিছু দুষ্কৃতি। তারা অস্ত্র ও বন্ধুক দেখিয়ে আমার বাবাকে গালিগালাজ করতে থাকে। প্রতিবাদ করলে দুষ্কৃতীরা কপালে গুলি করার চেষ্টা করে। তার সাথে থাকা নগদ প্রায় ৫৪ হাজার টাকা ও গলায় থাকা সোনার চেন নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এরপর বাবার চিৎকারে আমি আর আমার গ্রামের লোকজন ছুটে গেলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।

দিনহাটা থানার পুলিস জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে কে বা কারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। এবং আক্রান্তের বয়ান ও রেকর্ড করতে পারে পুলিশ বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন