কোচবিহারে ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্পে ব্যাপক সাড়া জেলাবাসীর

ইউবিজি নিউজ, কোচবিহার : “দুয়ারে সরকার” প্রকল্প রীতিমতো সাড়া ফেলেছে কোচবিহার জেলায়। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে ইতিমধ্যেই ২৬০০০স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের আবেদন জমা পড়েছে জেলা জুড়ে। এরা সকলেই কার্ড পাবেন।

ইতিমধ্যে কোচবিহার জেলার চারটি ব্লকে এনরোলমেন্ট ক্যাম্প চালু হয়েছে। যারা আবেদন করছেন তারা সকলেই সেই এনরোলমেন্ট ক্যাম্পে গিয়ে তাদের যাবতীয় নথিপত্র জমা দিয়ে হাতে হাতে পেয়ে যাবে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড।পরিবারের প্রতি সদস্য কিছু ৫ লক্ষ টাকা করে স্বাস্থ্যবীমা দেবে সরকার, পরিবার পিছু একটি করে কার্ড বরাদ্দ রয়েছে।

রাজ্য সরকারের এই অভিনব প্রকল্প মানুষের কাছে যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে বলে দাবি করছে রাজনৈতিক মহল। কোচবিহারের জেলাশাসক পবন কাদিয়ান জানান, গোটা কোচবিহার জেলায় যেখানে যেদিন যে ক্যাম্প হচ্ছে তার ওপরে আমরা নজর রেখে চলেছি।

শুধু স্বাস্থ্য সাথী পরিষেবা নয়,সরকারি সমস্ত পরিষেবার সমস্ত তথ্য আবেদনের পদ্ধতি এবং নিয়মকানুন সম্পর্কে ক্যাম্রি থেকে সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করা হচ্ছে। তার মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সাথী। আমরা নির্দিষ্ট দিনের আগেই মানুষের হাতে স্বাস্থ্যসাথী পৌঁছে দিতে পারব।

কোচবিহার জেলার ওসি স্বাস্থ্য বিভাগ কিংশুক মাইতি জানান, প্রকল্প শুরু হওয়ার নয় দিনের মধ্যে ২৬০০০ স্বাস্থ্যসাথী আবেদন জমা পড়েছে। সমস্ত আবেদন পত্র আমরা খুঁটিয়ে দেখে জমা নিচ্ছি, এরা সকলেই স্বাস্থ্য সাথীর আওতাভুক্ত হবেন। ইতিমধ্যেই কোচবিহারের তুফানগঞ্জ ১ , দিনহাটা এক, কোচবিহার ২ এবং শীতলকুচি তে এনরোলমেন্ট ক্যাম্প চালু করা হয়েছে। সেইখান থেকে হাতে হাতে আবেদনকারীদের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তুলে দেওয়া হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে জেলার আরো চারটি ব্লকে এনরলমেন্ট কেন চালু হবে।সমস্ত মানুষের হাতে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন অঙ্গীকারবদ্ধ, আমরা সেভাবেই কাজ করে চলেছি।

সরকারি কর্মীদের পাশাপাশি প্রতিটি ক্যাম্পে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে যুব যোদ্ধাদের মাধ্যমে ভলেন্টিয়ার পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। ক্যাম্পে আগত যে সমস্ত বাসিন্দারা সঠিকভাবে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারছেন না তাদেরকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন এই যুব যোদ্ধারা। কুচবিহার সদর মহকুমাতে সম্রাট মুখার্জি হিসেবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষদের।

নমিতা বর্মণ, সম্প্রীতি চক্রবর্তী, বিভাংশু আচার্য, অশোক মন্ডল দের কথায়, স্বাস্থ্যসাথী যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বর্তমান ব্যয়বহুল স্বাস্থ্য পরিষেবার নিরিখে।রাজ্য সরকার এবং জেলা প্রশাসন উদ্যোগ নিয়ে সকল মানুষের হাতে এই পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছেন তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।