কোচবিহার জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ‘হ্যাচারী’ মালিক ও কর্মচারীদের দেওয়া হল কোভিড টিকা

কোচবিহার, ১১ জুনঃ মরশুম শুরু হতেই কৃত্রিম পদ্ধতিতে মাছের প্রজনন করানোর কাজ করেন জেলার বিভিন্ন হ্যাচারী মালিকেরা। জেলার মৎস্য চাষিরা এই হ্যাচারীগুলি থেকে মাছের ডিম পোনা সংগ্রহ করে নিজেদের পুকুরে ছাড়েন।

এভাবেই হ্যাচারী মালিকেরা কৃত্রিম পদ্ধতিতে মাছের প্রজনন করানোর মধ্য দিয়ে জেলায় মাছের যোগান ঠিক রাখেন। কিন্তু বর্তমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও মাছের যোগান ঠিক রাখতে মাছের প্রজনন করানোর কাজ করে যেতে হচ্ছে তাঁদের। তাই করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন হ্যাচারী মালিক ও কর্মচারীদের দেওয়া হল কোভিড টিকা।

শুক্রবার জেলা মৎস্য দপ্তর ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজে জেলার বিভিন্ন হ্যাচারী মালিক ও হ্যাচারীর সঙ্গে যুক্ত কর্মচারীদের কোভিড টিকা দেওয়া হয়। জেলা মৎস্য দপ্তর সুত্রে জানা যায়, এদিন জেলার ১৭টি সরকার অনুমোদিত হ্যাচারী মালিক ও তাঁদের কর্মচারী, যাদের বয়স ১৮ থেকে ৪৪-এর মধ্যে, তাঁদের প্রথম পর্যায়ে কোভিড টিকা দেওয়া হয়। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪৪ ঊর্ধ্বদের কোভিড টিকা দেওয়া হবে। এদিন প্রায় ৫৪ জন হ্যাচারীর সঙ্গে যুক্তদের কোভিড টিকা দেওয়া হয়। জেলা মৎস্য দপ্তর ও জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগের সাদুবাদ জানিয়েছেন হ্যাচারী মালিক ও কর্মচারীরা।

এই বিষয়ে ‘দে হ্যাচারী’র পক্ষ থেকে অভিশান্ত দে জানান, “এই সময় জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মৎস্য চাষিরা তাঁদের পুকুরের জন্য আমাদের কাছ থেকে ডিম পোনা সংগ্রহ করে তাঁদের পুকুরে ছাড়েন। জেলায় মাছের যোগান ঠিক রাখতে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও আমাদের ডিম পোনা তৈরির কাজ করে যেতে হচ্ছিল, কিন্তু আজ জেলা মৎস্য দপ্তর ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আমরা কোভিড টিকা নিলাম। জেলা মৎস্য দপ্তর ও জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে আমি ধন্যবাদ জানাই”।

এই বিষয়ে জেলা সহ মৎস্য অধিকর্তা সম্পৎ মাজি জানান, “জেলার বিভিন্ন হ্যাচারী মালিক ও তাঁদের সঙ্গে যুক্ত যাদের বয়স ১৮ থেকে ৪৪-এর মধ্যে, তাঁদের প্রথম পর্যায়ে কোভিড টিকা দেওয়া হল। আজ জেলার প্রায় ৫৪ জন হ্যাচারীর সঙ্গে যুক্তদের কোভিড টিকা দেওয়া হল। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে যাদের বয়েস ৪৪ ঊর্ধ্ব, তাঁদের কোভিড টিকা দেওয়া হবে”।